আলোচনায় না এলে ইরানের জন্য বড় বিপদ: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ২:৪০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০২৬ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে তাঁর কঠোর অবস্থান আবারো জোর দিয়ে তেহরানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরান শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য হবে। তবে যদি তারা এই পথ এড়িয়ে চলে, তাহলে তাদের জন্য এমন এক ভয়াবহ বিপর্যয় অপেক্ষা করছে যা তারা আগে কখনো দেখেনি। এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদসংস্থা আল জাজিরা। সম্প্রতি জনপ্রিয় রেডিও শো ‘দ্য জন ফ্রেডরিকস শো’-তে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই আত্মবিশ্বাসের কথা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, ইরান আলোচনায় আসবে। আর যদি না আসে, তবে তারা এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়বে যা আগে কখনো শুনিনি।” ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে তখন, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং মার্কিন প্রশাসন তেহরানের উপর ক্রমাগত চাপ বাড়াচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুধু হুমকি নয়, তিনি একটি সম্ভাব্য সমঝোতাও দেখিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, যদি ইরান একটি ন্যায্য চুক্তিতে পৌঁছায়, তবে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা পুনরুদ্ধার ও দেশের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারে। তবে এ জন্য তিনি একটি অঙ্গীকার জুড়ে দিয়েছেন – অর্থাৎ, এসব আলোচনা চলাকালে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণই হবে বাংকার চুক্তির মূল ভিত্তি। নিজের কঠোর অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া ওয়াশিংটনের অন্য কোনো বিকল্প ছিল না। তিনি মনে করেন, ইরানের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনতে এই ধরণের কঠোর নীতিই সময়ের দাবি। এর আগে বাতিল করা নীতিগুলো কার্যকর না হওয়ায়, তিনি বাধ্য হন এই পথে হাঁটতে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য একদিকে মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করার কৌশল, অন্যদিকে কিছুটা আলোচনার পথও খোলা রাখে। এখন দেখা যায়, তেহরান এই চূড়ান্ত এক আলটিমেটাম ও ‘দেশ পুনর্গঠনের’ প্রস্তাবের বিপরীতে কী ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখায়, সেটিই এখন বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম বড় প্রশ্ন। তবে এসব হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎকে এক নতুন অনিশ্চয়তার দিকেও ঠেলে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: