হোয়াইট হাউসে ইসরায়েল-লেবানন শান্তি সংলাপের সম্ভাবনা: ট্রাম্প Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ২:৪১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৭, ২০২৬ মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘ এক যুগের বৈরিতা ও সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে এক ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনায় বসছে ইসরায়েল ও লেবানন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বিশেষ আমন্ত্রণে এই অসাধারণ সমঝোতা চলতি সপ্তাহ বা পরের সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের সরকারি ভবন ও দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় করত পরিচালক ট্রাম্প এ গুরুত্বপূর্ণ খবর নিশ্চিত করেন। তিনি এই উদ্যোগকে একটি অসাধারণ প্রদান হিসেবে বর্ণনা করে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে একটি স্থায়ী এবং ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বড় ঘোষণা আসার কিছু ঘণ্টা পরে, সংলাপের আগে দু’দেশের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির খবর এই মুহূর্তে আলোচনায় আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ ট্রাম্প লিখেন, তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা সম্পন্ন করেছেন। ট্রাম্পের মতে, এই সফল মধ্যস্থতার ফলে দু’দেশের শীর্ষ নেতা ১০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি করতে রাজি হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এটাই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যে, ইসরায়েল ও লেবানন সরাসরি একটি সংলাপে অংশ নিচ্ছে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে। মন্তব্যের আগে উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়। এর প্রেক্ষিতে, গত ২ মার্চ থেকে লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েল কড়া বিমান আঘাত চালিয়ে আসছে। দেড় মাসের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় লেবানন এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে ২ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানগুলোয় মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২২০০ লোক প্রাণ হারিয়েছে, গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন ৫৬০০ জনের বেশি। জীবন রক্ষার তাগিদে বহু মানুষ ভিটেমাটি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে পলায়ন করছে। এমন করুণ পরিস্থিতির মধ্যেই আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা এই শান্তি আলোচনা বর্তমান সংকট থেকে রক্ষা পেতে বড় ছক বলে মনে করছেন। বিশ্ব এখন ওয়াশিংটনের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের দিকে কৌতূহল নিয়ে তাকিয়ে, যেখানে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রত্যাশা করা হচ্ছে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: