যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক: তৃতীয় দফার আলোচনায় সাক্ষাৎ Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৪৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ জেনেভাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তৃতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা চলছে। এই আলোচনাকে সংঘাত রোধের শেষ চেষ্টার বলে মনে করা হলেও, চুক্তি সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট কোনো ব্যবস্থার আভাস পাওয়া যায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে বলেছেন, পারমাণবिक চুক্তিতে পৌঁছানো না গেলে ইরানে হামলা চালানো হবে। এর মধ্যেই তিনি হামলার পরিকল্পনা এবং চাপ তৈরি করতে ইরানের অবস্থান পরিবর্তনের জন্য সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন। আগামী দিনগুলোতে তিনি পারেন ইরানের নীতিনির্ধারকদের ওপর চাপ বাড়ানোর জন্য প্রথমে আইআরজিসি বা পারমাণবিক স্থাপনায় প্রাথমিক আঘাতের পরিকল্পনা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের বিষয়ে অভিযোগ করছে যে, যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের পথ প্রশস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে, ইরান পাল্টা হুমকি দিয়েছে যে, কোনো আক্রমণ হলে মধ্যপ্রাচ্য ও ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলিকে টার্গেট করে পাল্টা আঘাত হানবে। অঞ্চলটিতে মার্কিন প্রভাবক্ষেত্রে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জিয়ামিন নেতানিয়াহু সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত না করে কোনও চুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে অঞ্চলটির জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন তিনি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চলতি মাসে হোয়াইট হাউসে নেতানিয়াহুর সফর ইরানের বিরুদ্ধে চাপ বাড়ানোর এক অঙ্গীকার। যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র হ储র্সের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষমতার দেশ হিসাবে, ইসরায়েলও পারমাণবিক অস্ত্রের দাবি করে এলেও স্পষ্ট নয়, তারা এই বিষয়ে কিছু বলছে কি না। ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে সামরিক শক্তি বাড়ছে; বিমানবাহী রণতরী ও সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি আগের আলোচনা ও নিষেধাজ্ঞা ও নিষেধাজ্ঞার প্রত্যাখ্যানের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি নাটকীয় মোড়ে পড়ছে। তবে, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি মূলত শান্তিপূর্ণ দাবি করে আসছে। দুই দেশের মধ্যকার আলোচনা চলমান থাকলেও, একজন কর্মকর্তার বিবৃতি অনুসারে, ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু এখনও জানা যায়নি। এই আলোচনার পাশাপাশি, ইর্ষারিপ্রতিবন্ধক পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় ঐতিহাসিক অস্থিরতা এবং সংঘাতের ঝুঁকি এখনো বিদ্যমান। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: