বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধ কারখানা চালু করতে সহায়তা দেবে: গভর্নর

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৭:১৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানা পুনরায় সচল করতে প্রয়োজনীয় আর্থিক ও নীতিগত সহায়তা প্রদান করা হবে বলে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান আজ বৃহস্পতিবার দায়িত্ব গ্রহণের পর এই তথ্য জানান। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, এ সময় ডেপুটি গভর্নর ও অন্যান্য কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, ‘‘আগে কাজ, পরে কথা।’’ এর পর তিনি ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং পরে অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে যান।

সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র উল্লেখ করেন, অর্থনীতিকে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানমুখী ধারায় নিতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা প্রদান করা হবে। সেই সঙ্গে সুদহার হ্রাসের ওপরও মনোযোগ দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী গভর্নরের সময় স্থিতিশীলতা রক্ষা, অর্থনীতির ভিত্তি শক্ত করা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশংসা করা হয় এবং নতুন গভর্নর এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর উদ্দেশ্যে কাজ করবেন।

গত এক দেড় বছরে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করতে নতুন নীতি, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং খাতে সমন্বয় কার্যক্রম গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির আশা করা হচ্ছে।

আরিফ হোসেন খান জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখাই অগ্রাধিকার। পাশাপাশি উচ্চ সুদহারকে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গভর্নর আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে নিয়মভিত্তিক ও বৈষম্যহীন করা হবে। কাজের গতি বাড়ানোর জন্য ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ অর্থাৎ ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ কার্যকর করা হবে, যাতে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিজেদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারেন।