ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পরে মুরাদনগরে ইয়াবা সেবনের সময় ৭ জন গ্রেপ্তার Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর নির্দেশের পর থেকে শুরু হয়েছে পুলিশী অভিযান। এসব অভিযানে বিশেষ করে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান। সূত্র জানিয়েছে, চৌধুরীকান্দি এলাকার একটি বাসায় ইয়াবা বেচাকেনা ও সেবনের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশে একটি দল অভিযান চালায়। এসআই আবদুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল, এএসআই শামিমসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন। অভিযানের সময় অভিযুক্তরা ইয়াবা সেবনের অবস্থায় থাকাকালে হাতেনাতে ধরা পড়ে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়ার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দির মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়া। আটকের পরে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানির পর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় অভিযুক্ত সাতজনকে মোট ১ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা আর প্রত্যেককে ১৫ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান বলেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। সমাজকে মাদকমুক্ত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। উল্লেখ্য, গত ২০ ফেব্রুয়ারি, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ নিজ এলাকা থেকে প্রথমে মজবুত অবস্থানে এসে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনের তৎপরতা আরও বাড়তে থাকে এবং বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। SHARES রাজনীতি বিষয়: