বর্ণিল সাংগ্রাই জলউৎসবের মাধ্যমে বর্ষবরণের শেষ গ equf সমাপ্তি Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ২:৩৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২৬ রাঙামাটিতে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই জলউৎসবে এবারের বর্ষবরণের আয়োজন সম্পন্ন হয়। এই উত্সবের মাধ্যমে পাহাড়ি-বাঙালি সব বিভাগের মানুষ একত্রিত হয়ে একসঙ্গে আনন্দের প্রশান্তি উপভোগ করেন। চিংহ্লামং মারী স্টেডিয়ামে রাঙা গোধূলির শেষ রোদে পাহাড়ের কোলজুড়ে সাজানো ছিল উৎসবের আবেশ, আর দিনজুড়ে ছিল রঙিন সাজ-পোশাক, নাচ-গান ও আকর্ষণীয় জলকেলি। এই জলখেলা বিশ্বাস করা হয় যে, এটি পুরোনো বছরের সমস্ত দুঃখ-কষ্ট মুছে নতুন বছরের শুরুতে নিয়ে আসে পরিষ্কার আনন্দ ও মুক্তি। এর পাশাপাশি, মহান গানে এবং রঙিন পোশাকে সেজে তরুণ-তরুণীরা একে অন্যকে পানি ছিটিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেন। শিশু থেকে শুরু করে বয়সী পেঠে মানুষ সবাই এই সাম্প্রদায়িক মিলনমেলায় অংশ নেন, যা পার্বত্য চট্টগ্রামের সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের বার্তা প্রচার করে। উত্সবের আয়োজকরা বলেন, সাংগ্রাই বা জলকেলি শুধু মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য নয়, বরং এটি পাহাড়ি ও সমতল মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও একতা বাড়ানোর এক অনন্য মাধ্যম। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি অনুষ্ঠানে বলেন, পার্বত্যাঞ্চলের সমৃদ্ধ উন্নয়নের জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, পার্বত্য ১৩টি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ অপরিহার্য, কারণ কিছু জনগোষ্ঠী এখনো অস্তিত্বের জন্য সংগ্রামरत। প্রাধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। তিনি উল্লেখ করেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সম্মান করা বাংলাদেশের প্রকৃত শক্তি। এই উৎসব এখন সকল সম্প্রদায়ের মিলনের এবং দেশের বৈচিত্র্য তুলে ধরার এক অনন্য বন্ধন। মাসসর জলউৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক পাইচিং মং মারমা বলেন, এই জলউৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো পুরোনো বছরের দুঃখ-কষ্ট মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো এবং সকলের মধ্যে মাতৃভূমির সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক উন্নয়ন। SHARES সারাদেশ বিষয়: