সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২৬

সরকার সম্প্রতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষাক্ষেত্রে আরও বৃদ্ধি এবং উন্নতিতে। এর অংশ হিসেবে, ইতিমধ্যে ৯ হাজার ধর্মীয় ও বিভিন্ন শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে সমন্বয় আনা হবে এবং শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল), তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কবরী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নিযুক্ত উপদেষ্টা ড. মাহদী আমীন। এই সপ্তাহে সরকারের দুই মাস পূর্তির উপলক্ষে বিশেষ এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ড. মাহদী আমীন আরো বলেন, শিক্ষাখাতে বিভিন্ন উদ্যোগ চালু করা হয়েছে। যেমন, শিশু ও কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ উন্মুক্ত করা, উপজেলা পর্যায়ে রয়েছে ৬টি খেলাধুলার জন্য ১৮ জন প্রশিক্ষক নিয়োগ, এবং মহানগর এলাকায় খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

প্রতিভা সন্ধান ও বিকাশের জন্য ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতাও আবার শুরু হয়েছে। এতে এবার সংযুক্ত হয়েছে ক্রীড়া ও কোরআন তিলাওয়াতের আলাদা বিভাগ। এর পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০টি আসনে সরাসরি দেখা হবে তাদের পারিবারিক প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিদের, যেখানে তারা শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অন্যান্য বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবে।

সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই লাখ শিশুর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের ব্যাগ বিতরণের উদ্যোগও চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়াও, ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ প্রকল্পের পাইলট দিনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যার মাধ্যমে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির সংযুক্তি করা হচ্ছে।

শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে বিকল্প ও যৌথ পাঠ্যক্রম চালু করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা মৌলিক দক্ষতা ও আনন্দদায়ক পরিবেশে শেখার সুযোগ পায়।

মাদরাসার শিক্ষাকে আধুনিক করতে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি কোর্সের পরিকল্পনাও বাস্তবায়নের ফলে যুক্ত করা হয়েছে। আরো একধাপে, স্পোর্টস কর্মসূচির আওতায় স্পোর্টস কার্ড ও স্পোর্টস অ্যালাউন্স চালু হয়েছে, যার মাধ্যমে শতাধিক ক্রীড়াবিদকে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। এই সব উদ্যোগের মাধ্যমে, দেশের শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়নে সরকারের দৃঢ় প্রত্যয় ফুটে উঠেছে।