বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক ওয়ার্ডে নারী-পুরুষের চিকিৎসা সমস্যা Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ২:৩৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৪, ২০২৬ দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ৫৬ বছর পার হলেও এখনো পৃথক ডায়রিয়া ওয়ার্ড না থাকায় রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। বাধ্য হয়ে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের মাত্র একটি ছোট ওয়ার্ডে নারী ও পুরুষ একসঙ্গে চিকিৎসা নিচ্ছেন, যেখানে শয্যা সংকট ও অব্যবস্থাপনায় পরিস্থিতি নিয়মিত জটিলতায় পরিণত হয়েছে। হাঁটতে হাঁটতে দেখা যায়, হাসপাতালটির কম্পাউন্ডের টিনশেড ভবনে কেবলমাত্র ৪ শয্যার একটি ডায়রিয়া ওয়ার্ড রয়েছে। তার পরেও প্রতিদিন সেখানে ২০ থেকে ২৫ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন, যাদের মধ্যে ৮ থেকে ১০ জন নারী। পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় অনেক রোগীকেই মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হলেও হচ্ছে। নারী রোগীদের অভিযোগ, পুরুষ রোগীদের সঙ্গে একই ওয়ার্ডে থাকতে হচ্ছ্ে, যা তাদের জন্য চরম অস্বস্তির কারণ। অনেক সময় বাধ্য হয়ে শয্যার চারপাশে কাপড় টাঙ্গিয়ে পর্দা তৈরি করে আলাদা করার চেষ্টা করেন। বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ৩৫ বছর বয়সী নার্গিস আক্তার বলেন, আমি বাধ্য হয়েই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। কারণ শয্যার দুই পাশে পুরুষ রোগী থাকা খুবই অস্বস্তির। সালমা নামে আরেকজন রোগী বলেন, নারীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড থাকা উচিত, এভাবে চিকিৎসা নেয়া অনেকটাই অস্বস্তিতে ফেলছে। হাসপাতালসূত্র জানায়, ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বরিশাল জেনারেল হাসপাতালটি ২০০ শযিয়াতে উন্নীত করার পরিকল্পনা থাকলেও তা এখনও কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। হাসপাতালের পূর্বপাশে একটি ১২ তলার ভবন নির্মাণের কাজও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মলয় কৃষ্ণ বড়াল বলেন, প্রতিদিন ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে পর্যাপ্ত শয্যা ও ওয়ার্ড না থাকায় নারী ও পুরুষ একসঙ্গে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেক সময় রোগীদের মেঝেতেও চিকিৎসা দিতে হয়। SHARES সারাদেশ বিষয়: