হরমুজ প্রণালিতে ‘ট্রানজিট ফি’ আরোপের পরিকল্পনা ইরান ও ওমানের Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৪:০৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৮, ২০২৬ দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ভয়াবহ উত্তেজনার পর অবশেষে শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই ঐতিহাসিক সমঝোতায় মূল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তবে এই যুদ্ধবিরতির মধ্যেই নতুন এক অর্থনৈতিক সমীকরণ সামনে এসেছে। জানা গেছে, কৌশলগতভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলো থেকে বড় অঙ্কের ‘ট্রানজিট ফি’ বা টোল আদায়ের যৌথ পরিকল্পনা করছে ইরান ও ওমান। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, দুই সপ্তাহের এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলাকালে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সব ধরণের বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর নির্দিষ্ট হারে ফি আরোপের বিষয়ে তেহরান ও মাস্কাট ঐকমত্যে পৌঁছেছে। সংগৃহীত এই অর্থ যুদ্ধের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন কাজে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, প্রতিটি জাহাজের পারাপারের জন্য ইরান প্রায় ২০ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৪ কোটি টাকা) পর্যন্ত দাবি করছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কোম্পানি এই বিশাল অঙ্কের টোল পরিশোধ করেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উল্লেখ্য যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের এই প্রাণকেন্দ্রটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল। বর্তমানে এই রুট দিয়ে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় মাত্র ৫ শতাংশ জাহাজ চলাচল করছে। যদিও ভারত ও পাকিস্তানের মতো কিছু দেশ বিশেষ দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে তাদের পতাকাবাহী জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে। নতুন এই টোল ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যে কী ধরণের প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে এখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: