২ হাজার ৩ শত শিক্ষার্থী পাবে বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ১:০৩ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৭, ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৯১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ হাজার ৩শত শিক্ষার্থী নিয়মিত

পাবে পুষ্টিকর বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পুষ্টিমান নিশ্চিত

করতে ও ঝরেপড়া রোধে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি

আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) উপজেলার বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই

কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়। এই কর্মসূচির আওতায় ভৈরব উপজেলার মোট ৯১টি সরকারি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে টিফিন হিসেবে নিয়মিত

পুষ্টিকর বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা বিতরণ করা হবে। সরকারের এই মহতী উদ্যোগের ফলে

শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে এবং শিশুদের

দীর্ঘদিনের পুষ্টির অভাব দূর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে.এম. মামুনুর

রশীদ। তিনি বলেন, একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের

শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। অনেক সময় সঠিক পুষ্টির অভাবে

শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। সরকারের এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুধু

শিক্ষার্থীদের শারীরিক চাহিদাই পূরণ করবে না, বরং বিদ্যালয় থেকে ঝরেপড়া রোধে এটি

একটি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। আমরা খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস করব না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা

সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সানজিদা বেগম, ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রণয় কুমার ও ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সোহেলুর

রহমান।

উপজেলার কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাস্ট এসএস

এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটি সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে এই ফিডিং কর্মসূচি পরিচালনার

দায়িত্ব পায়।

ফাস্ট এস এস এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি আরিফুল হক সুজন বলেন, পর্যায়ক্রমে উপজেলার

প্রতিটি নির্ধারিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এই পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া

হবে। খাবারের মান তদারকি করতে নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা চালু থাকবে বলেও

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়।