নিরাপত্তা ও ৮ দফা দাবি পেট্রোল পাম্প মালিকের

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ২:৩১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১, ২০২৬

সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে হামলা, ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা রোধে ব্যবস্থা নিতে তৎপর পেট্রোল পাম্প মালিকেরা নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি আট দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে পাম্পগুলোর মাধ্যমে তেল বিক্রির জন্য নির্ধারিত সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত করা হোক, যাতে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা কমে। তবে এর পাশাপাশি হঠাৎ করে আবির্ভূত হওয়া নানা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে আজকাল অনেক স্থানে সন্দেহভাজন হামলা, কর্মীদের ওপর নির্যাতন ও প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটছে, যা গভীর উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের কিছু পাম্প এখন বেশ নাজুক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। এজন্য পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।

সংগঠনের নেতারা জানান, তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সঠিক তথ্য পাওয়া না যাওয়ার কারণে এ ধরনের অপ্রিয় ঘটনা ঘটছে বলে মনে করেন। তারা বলেন, কেবল তেলের সরবরাহের জন্য নয়, জ্বালানি সংকটের গুজবে আতঙ্কিত হয়ে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করলেও সরবরাহ বোঝা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে, নিজের ব্যক্তিগত ট্যাঙ্ক পূর্ণ করার নেশায় না পরে, প্রয়োজন অনুযায়ী তেল নেয়ার জন্য সরকারের সহযোগিতা করা উচিত।

সংগঠনের আট দফা মূল দাবি হলো, পাম্পগুলোতে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সহিংসতা ও হামলা ঠেকাতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ, তেল বিক্রির সময় নির্দিষ্ট করা, ডিপো থেকে তেল সরবরাহের সমন্বয় করা, ট্যাঙ্কলরির ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করা, জ্বালানি অপপ্রচার ও গুজব রোধে সরকারি নজরদারি জোরদার করা ও রেশনিং সিস্টেমের বাস্তবায়নে অব্যাহত মনিটরিং বজায় রাখা। সংগঠনের নেতারা আরও বলেছেন, অপপ্রচার ও গুজব ঠেকাতে সরকারি পর্যায়ে মনিটরিং বাড়ানো জরুরি, যাতে সাধারণ মানুষ বিশৃঙ্খলা না সৃষ্টি করে।

সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, সাধারণ মানুষের লাইনে দাঁড়ানো ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং পাম্পে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। তারা আরও বলেছেন, সরকার যদি মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করে এবং হামলা-সহিংসতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। সংক্ষিপ্তভাবে, পেট্রোল পাম্প মালিকেরা আশ্বাস দিয়েছেন, তারা সর্বদা জনগণের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।