নওগাঁ ও ঝিনাইদহে বজ্রপাতে তিন কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭ Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৮:০৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৮, ২০২৬ ঝিনাইদহ ও নওগাঁয় বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এতে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নওগাঁর পত্নীতলা শিহারা ইউনিয়ন, ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের খড়িবাড়িয়া ও লক্ষ্মীপুর গ্রামে বজ্রপাতের এসব পৃথক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- নওগাঁর শীতল গ্রামের মৃত আয়নাল হকের ছেলে আশরাফ আলী, শৈলকুপার খড়িবাড়িয়া গ্রামের সুশিল বিশ্বাসের ছেলে সমির বিশ্বাস (৪০) ও লক্ষ্মীপুর গ্রামের প্রকাশ বিশ্বাসের ছেলে অপু বিশ্বাস (২২)। নিহতদের তিনজনই কৃষক। স্থানীয় থানা জানিয়েছেন, গত রাত থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি ঝড়ো হাওয়া বইছিল। ঝড়-বাতাসের মধ্যেই শিহারা ইউনিয়নের তেপুকুরিয়া ফসলের মাঠে নামেন আশরাফ আলীসহ ৫ কৃষক। ওই সময়ে আকস্মিক বজ্রপাতে ৫ জন আহত হন। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক তাদেরকে উদ্ধার করে জেলার সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে আশরাফ আলীর মৃত্যু হয়। পত্নীতলা থানার ওসি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, মাঠে গম কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষক আশরাফের মৃত্যু হয়েছে। আহত বাকি চারজন পার্শ্ববর্তী সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি নিহতের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শৈলকুপা উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের খড়িবাড়িয়া ও লক্ষ্মীপুর গ্রামে বজ্রপাতের দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সমির বিশ্বাস তার বাবার সঙ্গে মাঠে পেঁয়াজ তোলার কাজ করছিলেন। একই সময়ে পাশের ক্ষেতে কাজ করছিলেন প্রকাশ বিশ্বাসের ছেলে অপু বিশ্বাসসহ আরও কয়েকজন। হঠাৎ বজ্রপাত হলে তারা গুরুতর আহত হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সমির বিশ্বাস ও অপু বিশ্বাসকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি আহতদের মধ্যে দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. এহেতাম শহীদ জানান, বেলা ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের হাসপাতালে আনা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২টা ২০ মিনিটে সমির ও অপু মারা যান। শৈলকুপা থানার ওসি মো. হুমাইন কবির জানান, বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। SHARES সারা বাংলা বিষয়: