কেশবপুরে ২৫ মার্চ গণহত্যা ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি সভা

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৮:৪২ অপরাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০২৬

যশোরের কেশবপুরে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস—২০২৬ যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের জন্য একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও রেকসোনা খাতুন। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিভিন্ন দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও রেকসোনা খাতুন, তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে ২৫ মার্চ এবং ২৬ মার্চ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। ২৫ মার্চের রাতে যারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আত্মাহুতি দিয়েছেন, তাদের স্মরণ করে এই দিনটি পালন করতে হবে। পাশাপাশি, ২৬ মার্চের মহান স্বাধীনতা দিবস যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করতে হবে, যাতে তরুণ প্রজন্ম আমাদের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে। এ জন্য সকল দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই কর্মসূচিগুলো সফলভাবে পরিচালনা করতে হবে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন কেশবপুর থানার তদন্ত ইন্সপেক্টর মো. শহিদুল ইসলাম, তিনি বলেন, “প্রিয় দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ দুই দিন পালনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে কর্মসূচি পরিচালনার জন্য সকলের সহযোগিতা জরুরি।”

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. ফিরোজ হোসেন, উপজেলা মৎস্য অফিসার সজীব সাহা, কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবু তালেব, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছামাদ বিশ্বাস, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা শাখার আমির মাওলানা রিজাউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাষ্টার রফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম শহিদ, কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনার রশীদ বুলবুল, এবং কলেজের প্রভাষক মো. আব্দুল হান্নানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গুণি ব্যক্তিরা।

সভায় আলোচনায় উঠে আসে দিবস দুটি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদায় পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি। এসব কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকলের উপস্থিতি ও সহযোগিতা প্রয়োজনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই প্রস্তুতি সভা বাংলাদেশের ইতিহাসের ঐতিহাসিক দিনগুলোকে ঘিরে সৌন্দর্য্য, শ্রদ্ধা ও ঐক্যের বার্তা প্রদান করে সকলের মধ্যে এক নতুন আগ্রহ ও চেতনাবোধ জাগিয়ে তোলে।