পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চিঠির বিষয় নিয়ে জামায়াত আমিরের উপদেষ্টা বরখাস্ত

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৮:৩৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০২৬

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের অনুমতিানের বাইরে দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো μία চিঠির কারণে তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মোহাম্মদ মাহামুদুল হাসানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার এই ঘটনা স্পষ্ট করেন। পরবর্তীতে, মোহাম্মদ মাহামুদুল হাসানের পরিবর্তে জামায়াতের আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে যে ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, তা মূলত দুই সপ্তাহেরও বেশি পুরানো। ওই সময় অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহামুদুল হাসান জামায়াতের আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি যেই চিঠির বিষয়টি জামায়াত আমিরকে জানিয়েছিলেন, কিন্তু সেটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করেছিলেন। পরে যাচাই করার পরে জানানো হয়, চিঠির বিষয়বস্তু ও বিষয়বস্তুর বিস্তারিত নিয়ে জামায়াত আমিরের সঙ্গে যে ব্রিফিং দেওয়া হয়েছিল, তার সাথে বাস্তবতা পুরোপুরি মেলে না। বিশেষ করে, চিঠিতে উল্লিখিত ‘মন্ত্রীর পদমর্যাদা’ চাওয়ার অংশে জামায়াত আমিরের কোনো অনুমোদন ছিল না। এই বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ার সাথে সাথে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান দ্রুত পদক্ষেপ নেন, এবং অধ্যাপক মাহামুদুল হাসানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার পরিবর্তে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে নতুন করে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভুল বোঝাবুঝি বা ভুল ধারণা স্পষ্ট করার জন্য তারা সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে বিষয়টি একান্তে আলোচনা করেন। তখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানানো হয় যে, ওই চিঠির বিষয়টি তাদের কোনো অনুমতি বা মতামত নিয়ে পাঠানো হয়নি। একই সঙ্গে, আগের উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়। এর ফলে বিষয়টি দ্রুত সমাধান হয়ে যায় এবং পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।