পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে পদ হারালেন জামায়াত আমিরের উপদেষ্টা

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ১:০৬ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০২৬

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের

সম্মতি ছাড়াই তার দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোয় তার

পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দলটির সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে বিষয়টি

পরিষ্কার করেন। মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানের পরিবর্তে জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক

উপদেষ্টা হিসেবে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে নিয়োগ দেওয়া

হয়েছে।

বিবৃতিতে জামাতয়াত জানায়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যে ঘটনার উল্লেখ করা

হয়েছে, সেটি মূলত প্রায় দুই সপ্তাহ আগের। সে সময় অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান

জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ওই

চিঠির বিষয়ে জামায়াত আমিরকে অবহিত করলেও বিষয়টি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন

করেছিলেন। পরবর্তীতে যাচাই করে দেখা যায়, চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে জামায়াত আমিরকে

যেভাবে ব্রিফ করা হয়েছিল, বাস্তবের সঙ্গে তার কোনো মিল নেই।

বিশেষ করে, চিঠিতে উল্লিখিত ‘মন্ত্রীর পদমর্যাদা’ চাওয়ার অংশে জামায়াত আমিরের কোনো

সম্মতি ছিল না। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন। অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানকে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া

হয়। তার জায়গায় ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে

বিরোধীদলীয় নেতার নতুন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ভুল-বোঝাবুঝি অবসানের বিষয়ে জামায়াত জানায়, বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য দলের পক্ষ থেকে

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করা হয়। তাকে জানানো হয় যে, ওই চিঠির

বিষয়ে জামায়াত আমির অবগত ছিলেন না। একই সঙ্গে আগের উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন

উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়টিও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা

হয়েছে। ফলে বিষয়টি তখনই নিষ্পত্তি হয়ে যায়।