প্রথমবারের মতো নিজ কার্য্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৮:৩১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ঐতিহাসিক বার্তা উপস্থাপন অনুষ্ঠানে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। এরপরে কার্যালয়ের গঠন ও কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রী ওই সভায় কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে।” তিনি আরও বলেন, “সরকারের ভুমিকা সফলভাবে সম্পন্ন করতে হলে আপনাদের সহায়তা দরকার। যখন আপনি আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করবেন, তখনই দেশের উন্নয়ন হবে।” প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতি তার গভীর দায়বদ্ধতার কথা প্রকাশ করে বলেন, “এই দেশকে আমরা প্রথম ও শেষ ঠিকানা মনে করি। দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নই আমাদের মুখ্য লক্ষ্য। এজন্য আমাদের সবাইকেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, “প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব মেনিফেস্টো রয়েছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি স্বীকার করেছে। সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।” স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং ক্রীড়াসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বল ajudam, “দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, তাহলেই তারা নিরাপদ বোধ করবে। আমাদের সবাই যদি একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে আমাদের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।” এছাড়াও তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রশাসনের পুর্ণ সহায়তা প্রত্যাশা করেন এবং দেশের স্বার্থে গোপনীয়তা রক্ষা, নিয়ম ও নীতিমালা অনুসরণের উপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী দেশপ্রেম এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে জাতিকে সুশৃঙ্খল পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারি কর্মচারীদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে তুলে ধরেন।