বিএনপি প্রতিহিংসা নয়, বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে: ড. মঈন খান Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ আওয়ামী লীগ বিভিন্ন স্থানে নতুন অফিস খুলছে এবং দেশের বিভিন্ন জায়গায় গুজব ছড়িয়ে পড়ছে যে, গণহত্যাকারীরা দেশে ফিরছে। এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বিএনপি প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষে বিশ্বাস করে না। তিনি বলেছেন, বিএনপি সম্পূর্ণভাবে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও পার্লামেন্টারী গণতন্ত্রের প্রতি অটুট আস্থা রাখে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। ড. মঈন খান বলেন, ‘আমাদের দলীয় আদর্শ অত্যন্ত স্পষ্ট। বিএনপি স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছে। ১৯৭১ সালের কালো রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরীহ মানুষদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রতিবাদের ঝাণ্ডা উড়িয়েছিলেন। আমাদের বিশ্বাস বহুদলীয় গণতন্ত্র ও পার্লামেন্টারী ব্যবস্থা চালু করতে। আমরা সেই বিশ্বাসেই অটুট থাকব।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপি একদলীয় বাকশাল শাসনের ধারনাকে মানে না। সেই অবৈধ শাসনের বিরুদ্ধে দেশের জনগণ যুবক-যুবতীর শক্তি দিয়ে সংগ্রাম করেছে। বিএনপি জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করে।’ বিএনপির এই নেতা আরও জানান, ‘বিএনপি একটি উদারনৈতিক রাজনৈতিক দল যা সবাইকে নিয়ে কাজ করে। আমরা হিংসা-প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। এটি আমাদের নেতা তারেক রহমান বারবার বলেছেন। তিনি বলেছেন, আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী।’ ড. মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে আমরা বারবার ফিরিয়ে এনেছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছি। এ গণতন্ত্র এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করব।’ নরসিংদী-২ আসনের এমপি ড. আব্দুল মঈন খানসহ অন্য নেতারা শের-ই বাংলা নগরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে উপস্থিত ছিলেন। তারা জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তার রুহের মাগফেরাতের জন্য দোয়া করেন। একইসাথে, দলের এই নেতারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আওয়ামী স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জয়ে এসেছে বিএনপি। ড. মঈন খান বলেন, ‘নরসিংদী ব্রিটিশ আন্দোলনের জন্মভূমি। ঐতিহাসিকভাবে এই শহরই ছিলেন মুক্তির সংগ্রামের কেন্দ্র। আজ এখানে উপস্থিত আমাদের দলীয় নেতাদের দেখেই বোঝা যায়, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের ধারাকে তারা সমুজ্জ্বল করে রাখছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে এই দলীয় নেতাদের একত্রিত হওয়ার মধ্য দিয়ে নিঃসন্দেহে আমাদের সংগ্রাম আরও শক্তিশালী হবে।’ SHARES রাজনীতি বিষয়: