ঈদের আগেই সব পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের ঘোষণা Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ বিএনপির নির্বাচনী মৌলিক প্রতিশ্রুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ—ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প—আগামী ঈদের আগে বিতরণের জন্য অনুমোদন পেয়েছে সরকার। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো দেশের প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। মন্ত্রিসভা এই প্রকল্পের জন্য দ্রুত কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সিদ্ধান্তের পক্ষে বৈঠক শেষে তথ্য ও প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বন ও পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর-রশীদ গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রকাশ করেছেন। প্রান্তিক ও দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা পরিবারের জন্য এই ফ্যামিলি কার্ডের বাস্তবায়ন ঘোড়া হয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে। এর মধ্যে থাকছেন ২ মন্ত্রী, ২ প্রতিমন্ত্রীসহ মোট ১৫ সদস্য। দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় এর পাইলটিং শুরু হবে, তবে এখনও কোন উপজেলাতে প্রথমে শুরু হবে তা চূড়ান্ত হয়নি। প্রথম ধাপে মূলত দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারগুলোই এই সুবিধা পাবে। এর উদ্দেশ্য হলো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও সমন্বিত করা। অর্থমন্ত্রী নেতৃত্বে গঠিত এই কমিশনের কার্যক্রমে থাকছে — সুবিধাভোগীদের জন্য উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন, সুবিধাভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়া নির্ধারণ, ডিজিটাল তথ্যবেইজ সৃষ্টি ও ন্যাশনাল আইডেন্টিটি ও হাউজহোল্ড ডেটাবেইজে সংযুক্ত টেকনোলজি ভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, প্রাথমিকভাবে প্রায় পাঁচ কোটি পরিবারের জন্য এই কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানান, ঈদের আগে এই কার্ডগুলো মায়েদের হাতে পৌঁছাতে কাজ শুরু হবে, এর জন্য একটি ছোট মন্ত্রিসভা উপকমিটি গঠিত হয়েছে। তিনি আরো জানান, এই কার্ডটি সর্বজনীন হবে, ধর্ম বা রাজনীতি ভিত্তিক কোন বিভাজন থাকছে না। এর মাধ্যমে সরাসরি সুবিধাভোগীদের হাতে নগদ টাকা পৌঁছে দেওয়ার প্রযুক্তিগত পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা চলছে। এখনকার কার্ডগুলোর তুলনায় এই নতুন কার্ডে দ্বিগুণের বেশি পরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে। আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ডের annoncé অংশ রয়েছে, কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করা হবে সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি জানিয়ে থাকেন, এটি মূলত সার্বজনীন একটি উদ্যোগ, প্রথমে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা পরিবারগুলোতে প্রবর্তন করা হবে, পরে ধাপে ধাপে অন্য দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোও এর আওতায় আসবে। মন্ত্রীরা আরও জানালেন, এই কার্যক্রম রমজানের মধ্যে শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে—প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক ভাবে চলতি রমজানেই চালু করা হবে। প্রধানমন্ত্রী চান, অন্তত পরীক্ষামূলক পর্যায়ে হলেও এটি ঈদের আগে বাস্তবায়ন করে লাভজনক ফল নিয়ে আসা। পরিবেশমন্ত্রী মিন্টু বলেন, এটি অবশ্যই বাস্তবায়িত হবে, কোন সমস্যা নেই। এখন মূলত কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ও মেকানিজম নিশ্চিতের কাজ চলছে। কৃষিমন্ত্রী আমিন উর-রশীদ জানিয়ে থাকেন, এই প্রকল্পে প্রথমে হতদরিদ্র ও নারীদের নাগরিক সুবিধার অগ্রাধিকার থাকবে এবং নগদ অর্থ প্রদানই মূল পদ্ধতি হিসেবে নেওয়া হবে। SHARES জাতীয় বিষয়: