ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে সন্দীপ চক্রবর্তীর সম্ভাবনা বাড়ছে Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৪৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে থাকা সম্পর্কের ইতিহাসে এক অদ্ভুত টানাপড়েন ও পরিবর্তনের সময়ে ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে প্রবীণ কূটনীতিক সন্দীপ চক্রবর্তীর নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, যখন দিল্লি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের শীতলতা কাটিয়ে আবার নতুন সেতুবন্ধন তৈরির পরিকল্পনা করছে, ঠিক তখনই অভিজ্ঞ এই কূটনীতিককে বাংলাদেশে পাঠানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে তিনি ইন্দোনেশিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বে আছেন, যেখানে তাঁর সফলতার কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁকে অন্যতম যোগ্য বলে মনে করা হয়। ১৯৯৬ ব্যাচের ভারতের বিদেশসেবা (আইএফএস) কর্মকর্তা সন্দীপ চক্রবর্তী বাংলাদেশ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখেন। এর আগে ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার বা ডেপুটি চিফ অব মিশন হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেটি সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল তাঁর সঙ্গে বেশ পরিচিত ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছিলেন, যা ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, গত বছর শেষের দিকেই ঢাকায় হাইকমিশনারের জন্য মনোনীত কূটনীতিকদের তালিকায় সন্দীপের নাম শীর্ষে ছিল। বর্তমানে তিনি এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যেখানে তাঁর কর্মদক্ষতায় বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনই তাঁর পেশাদারিত্বের একটি বড় প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর আগে তিনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব এশিয়া বিভাগের যুগ্ম সচিব হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এই পরিস্থিতিতে, নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও ভবিষ্যৎ গঠিত গণতান্ত্রিক সরকারকে সামনে রেখে দিল্লি একটি অভিজ্ঞ কূটনীতিককেই ঢাকায় পাঠাতে চায়, যার বাংলাদেশের রাজনীতি ও পরিবেশের সাথে পরিচিতি রয়েছে। প্রায় দেড় দশক পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসার ফলে দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের নতুন মাত্রা সৃষ্টি হয়েছে। এই সময়ে একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক হিসেবে সন্দীপ চক্রবর্তী যদি ঢাকায় আসেন, তবে তা দুই দেশের মধ্যকার অসংখ্য অমীমাংসিত ইস্যু সমাধান এবং অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা সুসংহত করতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। শীঘ্রই এই নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার জন্য নানা ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দিল্লির সাউথ ব্লক, যা নতুন সম্পর্কের শুরুর জন্য এক ধরনের কূটনৈতিক রিসেটের আঁচ্ছে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: