বিএনপির ঐতিহাসিক বিজয়ে চীনের উষ্ণ অভিনন্দন: নতুন অধ্যায় গড়ার প্রত্যাশা

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৩:৩১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের বিজয় সম্মিলিতভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং এই বিশাল অর্জনে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে চীন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই শুভেচ্ছা প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বাংলাদেশের জনগণকে একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সফল নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রশংসা জানানো হয়েছে, পাশাপাশি নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি নেতৃত্বের এগিয়ে যাওয়ায় বেইজিং তাদের প্রশংসা করেছে।

চীনা দূতাবাসের বক্তব্যে আশা প্রকাশ করা হয় যে, এই জনগণের রায় বাংলাদেশের আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে। তারা বেচিং জানায়, তারা নতুন বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে চায় এবং চীন-বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে নতুন ইতিহাস রচনা করতে আগ্রহী। বিশ্লেষকদের মতে, এই দ্রুততম এবং আন্তরিক অভিনন্দন বার্তা মূলত বাংলাদেশের জন্য চীনের দৃঢ় সমর্থনের প্রকাশ, যা দেশের উন্নয়ন ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘ দুই দশকের বিরতি শেষে বিএনপি বিশাল ব্যবধানে ক্ষমতায় ফিরে আসছে। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, দলটি অধিকাংশ আসন জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ এবং তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের অংশগ্রহণ দৃঢ়ভাবে লক্ষণীয় ছিল, যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরাও প্রশংসা করেছেন। এর পাশাপাশি, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান সহ বিশ্বমানের শক্তিগুলি ইতিমধ্যে নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যত উন্নয়নে দৃষ্টি দেওয়া শুরু করেছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, গঠিতব্য নতুন বাংলাদেশে চীন তাদের বিনিয়োগ ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে আরও গতিশীল ও বিস্তৃত করতে চাইবে। বিশেষত, অবকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক করিডোর সংক্রান্ত বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে নতুন চুক্তি বা সমঝোতা করার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ভারতের উৎসাহের মতো চীনেরও এই শুভেচ্ছা বার্তা প্রমাণ করে যে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও কৌশলগত গুরুত্ব অবিচল রয়েছে, যা ভবিষ্যতেও শক্তিশালী থাকবেনা।