হেলিকপ্টারে চড়ে সৌদি কফিলকে নিয়ে গ্রামে ফিরলেন প্রবাসী Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৯:০৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ সৌদি আরবের কফিলকে (মালিক) নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে তাহিরপুর উপজেলা বালিজুরি ইউনিয়নের রাজ নগর গ্রামের নিজ বাড়িতে ফিরেছেন মাকসুদ আখঞ্জি নামে এক প্রবাসী। হেলিকপ্টার দেখতে স্থানীয় উৎসুক জনতা ভিড় করে। গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রাজ নগর গ্রামের একটি প্রবাসীর বাড়ি সংলগ্ন মাঠে হেলিকপ্টারে এসে নামেন তারা। সৌদি আরবের ওই নাগরিকের নাম মিশাল আমি য়ামী। সৌদি প্রবাসী মাকসুদ আখঞ্জি রাজ নগর গ্রামের শাহ আলম আখঞ্জির ছেলে। তিনি ৫ বছর আগে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের গিয়েছিল। প্রবাসী মাকসুদ আখঞ্জি জানান, কয়েক বছর ধরে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে মিশাল আমি য়ামী মালিকানাধীন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি। চাকরির সুবাদে মালিকের (কফিল) সঙ্গে সুসম্পর্ক হয় তার। গত শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রিয়াদ থেকে বাংলাদেশ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন তারা। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হেলিকপ্টার ভাড়া করে ঢাকা থেকে বালিজুরি আসেন। এদিকে প্রবাসী মাকসুদের সঙ্গে তার সৌদি কফিলের গ্রামে আসার খবরে সকাল থেকেই উৎসুক মাকসুদের বাড়ির পাশে মাঠে ভিড় করে। সৌদি থেকে আসা নাগরিককে বরণ করতে নেওয়া হয় ব্যাপক প্রস্তুতি। নিরাপত্তার জন্য তাহিরপুর থানা পুলিশের একটি টিম দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে। হেলিকপ্টার থেকে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে হই-হুল্লোড় শুরু হয়ে যায়। এ সময় মাকসুদ আখঞ্জির বাবা শাহ আলম সহ স্থানীয় লোকজন ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সৌদি আরবের নাগরিক মিশাল আমি য়ামী কে। স্থানীয় সমাজসেবক মশিউর রহমান বলেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা যেন মাকসুদ আখঞ্জি মতো তাদের কপিলের সাথে সুসম্পর্ক রাখেন। দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন। কপিল মিশাল আমি য়ামী বলেন, মাকসুদ অত্যন্ত ভালো ছেলে। আমি মাকসুদকে পছন্দ করি। মাকসুদ আমার সকল ব্যবসা-বাণিজ্য দেখাশোনা করে। আমি মাকসুদের মতো আরও শ্রমিক বাংলাদেশ থেকে নিতে চাই। প্রথমদিন এখানে এসে অনেক ভালো লেগেছে। আমার পছন্দের একটি দেশ বাংলাদেশ। এ সময় মাশাল্লাহ মাশাল্লাহ বাংলাদেশ বলে অনুভূতি প্রকাশ করেন তিনি। প্রবাসী মাকসুদ আখঞ্জি বলেন, আমার কফিল (মালিক) একজন ভ্রমণপিপাসু মানুষ। তিনি বাংলাদেশ খুব পছন্দ করেন। কাজ করার সময় প্রায়ই বলতেন, আমি তোমার দেশে যাব। তাই তাকে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আমরা আগে থেকে চিন্তা করি তাকে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে গ্রামে যাব। সে জন্য ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে চলে আসি। তিনি এক সপ্তাহ বাংলাদেশে থাকবেন। পরে একসঙ্গে আবার সৌদিতে চলে যাব। দীর্ঘ ২০ বছর প্রবাসে কাটিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হেলিকপ্টারে চড়ে নিজ গ্রামে ফিরলেন মাগুরার তিন প্রবাসী। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। গত শুক্রবার সকালে ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণের পর সেখান থেকেই সরাসরি হেলিকপ্টারে করে নিজ জেলা মাগুরায় পৌছান তারা। জেলা সদরের বুজরুক শ্রীকুন্ডী এম.এ. হামিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে হেলিকপ্টারটি অবতরণ করলে পরিবারসহ নামেন আপন দুই ভাই ও আপন ভাতিজা। SHARES বাংলাদেশ বিষয়: