পল্লবীতে বিহারি ক্যাম্পে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহ আত্মহত্যার Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৪:১২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ রাজধানীর পল্লবীতে একটি বাসা থেকে দুই শিশু ও এক দম্পতিসহ চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের বি-ব্লকের ৩ নম্বর ওয়াপদা ভবন বিহারি ক্যাম্পের একটি কক্ষে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে আসে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের পাশাপাশি ঘটনাটির পিছনের কারণ খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছে। নিহতরা হচ্ছেন মাসুম (৩০), তাঁর স্ত্রী সুমি (২৫), এবং তাঁদের দুই সন্তান মিনহাজ (৪) ও আসহাব (২)। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই পরিবারের চারজনের মৃত্যু ঘটনা ঘটেছে আজ সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে, তবে ঠিক কী সময়ে ঘটেছে সেটি নিশ্চিত করা হয়নি। পল্লবী থানা পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো রাজধানীর শহীদ سোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। পল্লবী থানার উপ-সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) শাহীন আলম জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখ stretches চারজনের নিথর দেহ পড়ে আছে। ঘরটি কীভাবে বন্ধ ছিল বা অন্য কেউ কি প্রবেশ করেছিল, তা তদন্তের জন্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে, এটি একটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রথমে শিশুদের শ্বাসরোধ বা অন্যভাবে হত্যার পর স্বামী-স্ত্রী নিজেও ঘটনাস্থলে আত্মহনন করেছেন। তবে এটি কেবল প্রাথমিক ধারণা, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরে সঠিক কারণ জানা যাবে। অপর দিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা গেছে, এই পরিবারের মধ্যে কিছুদিন ধরে পারিবারিক নানা বিষয়ে মনোমালিন্য চলছিল। দীর্ঘদিনের কলহের জের ধরে এই ভয়াবহ পরিণতি ঘটতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। মিরপুরের বিহারি ক্যাম্পে বসবাসকারী এই পরিবারের এমন অপ্রত্যাশিত মৃত্যুর ব্যাপারেও স্থানীয়রা আতঙ্কিত। পুলিশ এখন নিহতের স্বজন ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে, এবং ঘটনার পেছনে অন্য কোনো রহস্য বা তৃতীয় কোনও ব্যক্তির সম্পৃক্ততা আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি অপমৃত্যু বা সাধারণ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। SHARES সারাদেশ বিষয়: