ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া অনন্যের মরদেহ উদ্ধার Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৪০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে নিজ বাসভবন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী অনন্য গাঙ্গুলির (২৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার, ১ ফেব্রুয়ারি, সকালে তাঁর নিজ বাড়ির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়। অনন্য ২০২২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তিযুদ্ধে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়েছিলেন। এই উজ্জ্বল নক্ষত্রের অকাল প্রয়াণে পরিবার ও সহপাঠীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, সবাই গভীর দুঃখ ও স্তব্ধতায় বিভোর। অনন্য গাঙ্গুলির পিতার নাম প্রদ্যুৎ কুমার গাঙ্গুলি এবং মাতার নাম রাধারানী ভট্টাচার্য। তাঁর বাবা কোটচাঁদপুর মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের সাবেক প্রভাষক এবং মা একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। দুই শিক্ষকর পরিবারে জন্মগ্রহণকারী অনন্য ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, মেধাবী এবং সংগ্রামী। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারের সবাই আর খুবই শোকার্ত। পারিবারিক সূত্র জানায়, অনন্য পড়াশোনার জন্য দীর্ঘ সময় ঢাকায় থাকতেন। ৩০ জানুয়ারি শনিবার সন্ধ্যায় তিনি ঢাকाबाट কোটচাঁদপুরের বাড়িতে ফিরে আসল্প। রাতের বেলা স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের সঙ্গে খাবার খেয়ে শোয়া করে। পর দিন সকাল পর্যন্ত তার কোন অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য না করলেও, দীর্ঘ সময় তিনি দু’দিন ধরে দরজায় আর না খোলায় মা রাধারানী ভট্টাচার্য সন্দেহ বোধ করেন। জানালা দিয়ে চোখ দিয়ে দেখা মাত্রই তিনি দেখতে পান, অনন্য সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়নায় ঝুলছেন। এ দৃশ্য দেখে মা চিৎকার করে রব ধরলে স্থানীয়রা ছুটে আসে এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ খবর দেয়। অপরদিকে, মানসিক চাপ বা অন্য কোনও কারণেই কি এমন ঘটনা ঘটেছে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, মরদেহ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে এখনো ধোঁয়াশা থাকা সত্ত্বেও, মেধাবী শিক্ষার্থী অনন্যের অকাল মৃত্যু সবাইকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও দুই যোগ্য বন্ধু সহপাঠীরাও তার এই মৃত্যুতে শোকাহত। SHARES সারাদেশ বিষয়: