মরণোত্তর পদ্মবিভূষণে সম্মানিত হবেন ধর্মেন্দ্র

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৫:০১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০২৬

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ ‘পদ্ম সম্মান’ ঘোষণা

করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রতি বছরের মতো এবারও শিল্প, সাহিত্য,

সংস্কৃতি ও সমাজসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই তালিকা

প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের তালিকায় সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে উঠে এসেছে বলিউড ইতিহাসের

অন্যতম প্রভাবশালী অভিনেতা ও ‘হি-ম্যান’ খ্যাত প্রয়াত ধর্মেন্দ্র সিং দেওলের নাম।

রূপালি পর্দায় দীর্ঘ ছয় দশকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের স্বীকৃতি হিসেবে এই কিংবদন্তি

অভিনেতাকে মরণোত্তর ‘পদ্মবিভূষণ’ সম্মানে ভূষিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

ভারতের বেসামরিক সম্মাননাগুলোর মধ্যে ‘পদ্মবিভূষণ’ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মান। এর আগে

২০১২ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ধর্মেন্দ্রকে ‘পদ্মভূষণ’ পদক প্রদান করা

হয়েছিল। গত বছরের ২৪ নভেম্বর, নিজের ৯০তম জন্মদিনের ঠিক আগমুহূর্তে না ফেরার দেশে

পাড়ি জমান এই কালজয়ী অভিনেতা। তাঁর প্রয়াণের পর রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই সর্বোচ্চ

পর্যায়ের স্বীকৃতি ভক্ত ও চলচ্চিত্র অঙ্গনে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করেছে।

‘শোলে’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ের ‘রকি

অউর রানি কি প্রেম কাহিনি’—অসংখ্য কালজয়ী সিনেমায় অভিনয় করা ধর্মেন্দ্র এই

সম্মাননার মাধ্যমে ইতিহাসের পাতায় আরও উজ্জ্বল হয়ে রইলেন।

এবারের পদ্ম সম্মানের তালিকায় ধর্মেন্দ্র ছাড়াও বিনোদন জগতের একঝাঁক তারকার নাম

রয়েছে। প্রখ্যাত মালয়ালম মেগাস্টার মাম্মুট্টি এবং সুরের জাদুকরী খ্যাত সংগীতশিল্পী

অলকা যাজ্ঞিককে ‘পদ্মভূষণ’ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ওপার বাংলার জনপ্রিয়

সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং অভিনেতা আর মাধবন জায়গা করে নিয়েছেন

‘পদ্মশ্রী’র তালিকায়। এছাড়া অভিনেতা সতীশ শাহকে মরণোত্তর ‘পদ্মশ্রী’ প্রদান করা

হচ্ছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে সব মিলিয়ে ৫ জন

বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পদ্মবিভূষণ, ১৩ জনকে পদ্মভূষণ এবং ১১৩ জনকে পদ্মশ্রী সম্মাননা

প্রদানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। চলতি বছরের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক

আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের

হাতে এসব পদক তুলে দেবেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের প্রতিনিধি ধর্মেন্দ্রর এই

মরণোত্তর স্বীকৃতি এবং প্রসেনজিৎ ও মাম্মুট্টির মতো তারকাদের সম্মাননা প্রাপ্তি

দেশটির সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ আনন্দের বার্তা বয়ে এনেছে।