৪৭ বছর পরে বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা ফিরছেন Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৪১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৫, ২০২৬ স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ অপেক্ষার পরে বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে আবারও পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের প্রবেশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ১৯৭৭ সালে মোহামেডানের হয়ে কালা গফুর, আশিক আলি এবং মোহাম্মদ হাবিবের ঢাকা লিগে খেলা দিয়ে পাকিস্তানি ফুটবলারদের যাত্রা শুরু হয়েছিল, এরপর ১৯৭৯ সালে আমির বক্সের অসুস্থতার কারণে এই ধারাবাহিকতা বন্ধ হয়ে যায়। তবে সম্প্রতি দীর্ঘ ৪৭ বছর পর এই বিরতি ভেঙে আবারও পাকিস্তানি ফুটবলাররা বাংলাদেশে ফিরছেন, এই ব্যাপারে আশার আলো দেখানো হচ্ছে। বিশেষ করে সার্ক কোটার অধীনে এই পুনঃপ্রবেশের ধারাবাহিকতায় ভিন্ন ভিন্ন ক্লাবের পক্ষ থেকে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের নিয়মিত অংশগ্রহণের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। প্রথমে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের ফুটবলাররা লিগে অংশ নিলেও, মাঝপথে নতুন করে দেখা গেছে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের। বিশেষ করে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলের গোলরক্ষক উসমান আলী এবং জাতীয় দলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার আলী উজাইর মাহমুদকে দলে অন্তর্ভুক্ত করে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, ব্রাদার্স ইউনিয়নের ম্যানেজার আমের খান জানিয়েছেন যে, তাদের দল থেকে আগে খেলোয়াড় হয়ে আসা নেপালি ফুটবলার অঞ্জন বিস্তা ও সুনীল শ্রেষ্ঠা পুনরায় ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করায় বর্তমানে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের দলে আসার সম্ভাবনা কম। অন্য ক্লাবগুলোও তাদের বিদেশি খেলোয়াড় ও সার্ক কোটা পরিবর্তনে উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে পুলিশ এফসি ভুটানের শেরুপ দর্জি এবং ফর্টিস এফসি লিগের সেরা খেলোয়াড় দাওয় শেরিংকে নিয়োগ দিয়েছে। রহমতগঞ্জ ও আরামবাগও নিজেদের নতুন স্ট্রাইকারদের নাম বাফুফেতে জমা দিয়েছে। তবে ৩১ জানুয়ারির দলবদলের সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের কারণে লীগ দ্বিতীয় পর্বের সূচি নিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে মোহামেডান ও ব্রাদার্সের মতো ক্লাবগুলো আপাতত তাদের নিয়মিত অনুশীলন কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। SHARES খেলাধুলা বিষয়: