এনার্জি ও পাওয়ার सेक্টর মাস্টার প্ল্যান ২০২৬-২০৫০ নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০২৬ ৭ জানুয়ারি ২০২৬, বুধবার, গণপ্রজাতন্ত্রী Bangladesh-এর মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় মূল আলোচনায় ছিল ‘এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার সেক্টর মাস্টার প্ল্যান ২০২৬-২০৫০’। উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, বিদ্যুৎ বিভাগ সচিব ফারজানা মমতাজ, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিড) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, অর্থ বিভাগের সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ ছাড়া বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এসএম জিয়া-উল-আজিম এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি এসময় উপস্থিত ছিলেন। এই মহাপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত দায়িত্বশীলতা বজায় রেখে বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী ও টেকসই প্রাথমিক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। সভায় আগের তিনটি মহাপরিকল্পনার দুর্বলতা (পলিসি গ্যাপ) চিহ্নিত করে তার বিশ্লেষণ করা হয়। নতুন এই মহাপরিকল্পনা তিন ধাপে বাস্তবায়িত হবে, যেখানে প্রথম ধাপ ২০২৬-২০৩০, দ্বিতীয় ধাপ ২০৩০-৪০ এবং তৃতীয় ধাপ ২০৪০-৫০ বছরকেই প্রতিনিধিত্ব করবে। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বিশদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ এই খাত। যদি এই খাত সবল হয়, তবে দেশের অর্থনীতি আরও সুসংহত হবে। দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক গবেষণার জন্য পৃথক একটি ইনস্টিটিউশন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। সভায় বিদ্যুৎ উৎপাদন, ট্রান্সমিশন, সরবরাহের পাশাপাশি পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক টেকসইতা, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিষয়েও কিছু সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। শেষ পর্যন্ত, ২০৫০ সালের মধ্যে প্রাইমারি এনার্জি সেক্টরকে আরও নিরাপদ, দক্ষ, কম আমদানিনির্ভর ও আর্থিকভাবে টেকসই করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। SHARES জাতীয় বিষয়: