উরুগুয়ে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি জন্য প্রধান প্রবেশদ্বার হতে পারে: বিজিএমইএ Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৩৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৯, ২০২৬ দক্ষিণ আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জোট মারকোসুর বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির জন্য উরুগুয়ে সম্ভাব্য প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে বিশ্লেষিত হচ্ছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সংগঠন, বিজিএমইএ, মনে করে যে উরুগুয়ে এই মার্কেটের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ গেটওয়ে হতে পারে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশে নিযুক্ত উরুগুয়ের রাষ্ট্রদূত আলবার্তো গুয়ানি বিজিএমইএ পরিদর্শনে এসে এই বিষয়ে মত দেন। সংগঠনের নেতারা বিনিময় করেন উরুগুয়ে থেকে বাংলাদেশে পোশাক রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে। বিজিএমইএ’র সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান নেতৃত্বে সংগঠনের প্রতিনিধিদল আলোচনা করেন, যেখানে বক্তব্য রাখেন পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, সুমাইয়া ইসলাম ও শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উরুগুয়ের বাংলাদেশে অবস্থিত অনারারি কনসাল মোস্তফা কামরুস সোবহান। মূল আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, এবং এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ইনামুল হক খান উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক হলেও লাতিন আমেরিকার বাজারে এখনও প্রবেশের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে; তাই তারা উরুগুয়ের মাধ্যমে এই বাজারে প্রবেশের পথ খুঁজছেন। শাহ রাঈদ চৌধুরী বলেন, বিশেষ করে উরুগুয়ের মারকোসুর অঞ্চলের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির জন্য হাব হিসেবে কাজ করার। উরুগুয়ের রাষ্ট্রদূত আলবার্তো গুয়ানি বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে আগ্রহী হওয়ার পাশাপাশি উরুগুয়ের বিশ্বমানের মেরিনো উলের ‘ট্রেসেবিলিটি’ বা ট্রেসিবিলিটি সনদ বাংলাদেশে রপ্তানির প্রস্তাব দেন, যা বাংলাদেশের পোশাক নির্মাতাদের আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে পারে। শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ বলেন, উল আমদানির মাধ্যমে বাংলাদেশের পণ্য বৈচিত্র্য বাড়ানো গেলে লাতিন আমেরিকার বাজারে আমাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। শেষে, শাহ রাঈদ চৌধুরী একটি শক্তিশালী বাণিজ্য প্রতিনিধি দল উরুগুয়ে পাঠানোর প্রস্তাব রাখেন। উরুগুয়ের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে ভিসা প্রসেসিং সহজীকরণসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া যায়। বিজিএমইএ নেতারা এই প্রক্রিয়ার দ্রুততা ও কার্যকারিতা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে একসাথে কাজ করার সহমত প্রকাশ করেছেন। SHARES অর্থনীতি বিষয়: