ফ্রান্স ও ব্রিটেনের পক্ষ থেকে ইউক্রেনের নিরাপত্তার জন্য সেনা পাঠানোর ঘোষণা Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৪৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০২৬ যুদ্ধ পরবর্তী ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এ জন্য মঙ্গলবার (6 জানুয়ারি) প্যারিসে অনুষ্ঠিত কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং এর বৈঠকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা স্বাক্ষর করা হয়। এই আলোচনায় ইউরোপীয় নেতাদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি স্টিভ উইটকভ বলেছেন, নিরাপত্তা বিষয়ক অগ্রগতি হলেও ভূমি ভাগাভাগির মতো জটিল সমস্যা সমাধানে আরও আলোচনা প্রয়োজন। একই সময়ে, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলতে থাকায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার রুশ প্রতিরক্ষা দপ্তর জানায়, তারা ইউক্রেনের ৩ শতাধিক ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত দুইটি হিমার্স রকেট ধ্বংস করেছে। এর বিপরীতে, ইউক্রেনের সেনারা কোস্ট্রেমা ওব্লাস্টে একটি রুশ সামরিক অস্ত্রাগারে আঘাত হেনেছে বলে জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক দিক থেকে ইউক্রেনের মুক্তিপ্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক নেতারা প্যারিসে একত্রিত হয়ে যুদ্ধ পরবর্তী পরিকল্পনা আলোচনা করেন। সভায় স্পষ্ট হয়, যুদ্ধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হলে কিয়েভের নিরাপত্তার জন্য সেনা পাঠানোর বিষয়ে ফরাসি ও ব্রিটিশ সরকার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেবে। এই ঘোষণা স্বাক্ষর করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘আমরা চাই না এমন কোনো শান্তি যা কিয়েভের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে। যুক্তরাষ্ট্রও এই বিষয়ে আমাদের সাথে একমত, তারা ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এতে কিয়েভের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।’ স্টারমার বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হল কিয়েভের জন্য স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করা। আমরা তিনটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগোচ্ছি: প্রথমে ইউক্রেনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, দ্বিতীয়ত শান্তি বাহিনী পাঠানো, এবং তৃতীয়ত রুশ আক্রমণের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান।’ জেলেনস্কি নিজেও ঘোষণা দেন, এই সমঝোতায় জল, আকাশ ও স্থল নিরাপত্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত। এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা ছিলেন স্টিভ উইটকভ ও জ্যারেড কুশনার। তারা বলেন, যুদ্ধবিরতিসহ নিরাপত্তা বিষয়ক অগ্রগতি হয়েছে এবং রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে। স্টিভ উইটকভ আরও বলেন, ‘নিরাপত্তা ইস্যুতে অগ্রগতি হয়েছে, তবে ভূমি ভাগাভাগির মতো জটিল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। আমি আশাবাদী দ্রুত সমাধান আসবে।’ এদিকে, এই বৈঠকে জার্মানি, পোল্যান্ড, ইতালি সহ প্রায় ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়, তবে অন্য যে কোনো দেশই যুদ্ধ পরবর্তী সেনা পাঠানোর জন্য কোন নিশ্চিত ঘোষণা দেননি। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: