ডিজিটাল এক্সপো-২০২৬ শুরু হবে ২৯ জানুয়ারি Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৩৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২, ২০২৬ তথ্যপ্রযুক্তির সাম্প্রতিক উদ্ভাবন, দেশের সক্ষমতা, সাফল্য এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরতে আরও একবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি প্রদর্শনী—‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০২৬’। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের পর্যাপ্ত সক্ষমতা প্রদর্শন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করা। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। তিনি আরও জানান, এই তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী ‘বাংলাদেশ টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ প্রতিপাদ্যে চীনা ও বাংলাদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ যোগ্যতা ও উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে প্রান্তে আসে। অফিসিয়াল আয়োজনটি বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিএসসি), এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে, যা চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন খুবই আগ্রহের সাথে ডিজিটাল ডিভাইসের বিভিন্ন ব্যবহার দেখছেন ও গ্রহণ করছেন, যা দেশের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, এই প্রক্রিয়াটি চলমান এবং বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বেশ কিছু উন্নতিগামী পথে এগিয়ে গেছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এই লক্ষ্যপুরণায় নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বাংলাদেশ হাইটেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, এবারের এক্সপোতে বিনিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ‘বাংলাদেশ টু দ্য গ্লোবাল’ ধারণার মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও গবেষণার সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির মহাসচিব জানান, এ বছর প্রায় তিন লখ দর্শনার্থীর প্রত্যাশা রয়েছে। শিল্পে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিপণ্য প্রস্তুতকারক, স্টার্টআপ কোম্পানি, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবনী প্রকল্প। এছাড়া আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় নানা সেমিনার, আলোচনা ও নীতি-নির্ধারণী বৈঠক হবে। সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য প্রদর্শনী সম্পর্কে তুলে ধরেন বিসিসি-এর মহাসচিব মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ ৬,৫০০ বর্গমিটার পর্যায়জুড়ে, যেখানে বিভিন্ন জোনে বিভক্ত করা হয়েছে—লোকাল ম্যানুফ্যাকচারার্স, প্রোডাক্ট শোকেস, ইনোভেশন, আন্তর্জাতিক ম্যানুফ্যাকচারার্স, ডিজিটাল লাইফস্টাইল, মেগা সেলস, সেমিনার, এবং বিটুবি ম্যাচমেকিং। প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে দেশের শত শত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা। এখানে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় ডিজিটাল পণ্য নির্মাতা, সার্ভিস প্রদানকারী, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, গেম ডেভেলপার, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার কোম্পানি, এবং আরও অনেকে। প্রদর্শনীতে বিভিন্ন নতুন পণ্য ও সেবা উপস্থাপিত হবে যা আমাদের জীবনধারাকে আরও ডিজিটাল ও আধুনিক করে তুলবে। সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন প্রকল্প, কর্মসূচি ও উদ্যোগও তুলে ধরা হবে এই উৎসবে। এই প্রদর্শনীতে প্রযুক্তির সব চমক দেখা যাবে—১৩০টিরও বেশি প্যাভিলিয়ন ও স্টলে। প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা—আইসিটি বিভাগ, এটুআই, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, স্টার্টআপ বাংলাদেশ, বিসিসি, বিটুবি ম্যাচমেকিং, বেসিস, বাক্কো, আইএসপিএবি, ই-ক্যাব, বিআইজেএফ ও টিএমজিবি—এর সঙ্গে যৌথভাবে অংশগ্রহণ করবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রযুক্তির অগাধ সম্ভাবনা এবং ডিজিটাল দক্ষতার বিকাশের দৃষ্টি আরও সুদৃঢ় হবে। SHARES অর্থনীতি বিষয়: