গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডসহ নতুন আইনচুড়ান্ত পর্যায়ে Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩০, ২০২৫ উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন পেয়েছে। তবে এটি এখনও চূড়ান্ত স্বীকৃতি পাননি; ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও পরিমার্জনার পর এটি সম্পূর্ণ অনুমোদন লাভ করবে। আজ রাজধানীর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সভার পর এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, এই খসড়া অধ্যাদেশে গুমকে একাধিক অপরাধের মধ্যে অন্যতম হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে মৃত্যুদণ্ড সহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে গোপন আটক কেন্দ্র ব্যবহারও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শফিকুল আলম বলেন, এই অধ্যাদেশের আওতায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা পাবে, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন হবে, অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিতের বিধানও রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে যেন আর কখনো গুমের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সরকার কার্যকরী আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। এই খসড়া অধ্যাদেশের বিষয়টি আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি দেশের মানবাধিকার রক্ষা ও গুমের মতো নির্মম অপরাধের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করেন তিনি। শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, আজকের এই অনুমোদন কেবল নীতিগত; চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এটি ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও সমন্বয় মাধ্যমে উপস্থাপন করা হবে। অধ্যাদেশ কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের দিক থেকেও নিরাপত্তা ও যথাযথ প্রতিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন। SHARES জাতীয় বিষয়: