ঢাকার ধামরাইয়ে এনসিপির অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ, ২০ জন আহত Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ২:৩২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০২৬ ঢাকার ধামরাইয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঢাকার উত্তর বিভাগের নতুন কমিটির আত্মপ্রকাশ ও ধামরাই উপজেলার প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুটি পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেল ছয়টার দিকে ধামরাইয়ের কালামপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছাকাছি এলাকায় এই অপ্রত্যাশিত সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এতে কমপক্ষে ২০ জনের মতো আহত হন, যার মধ্যে কিছুজনের আঘাত গুরুতর নয়, তবে তারা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বেশ কিছু ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় অভিযোগের মাধ্যমে, যেখানে ঢাকা উত্তরের নতুন কমিটি গঠনের অনুষ্ঠানে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পক্ষের নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি উদ্দেশ্যমূলকভাবে হামলা চালিয়েছে, ও তারা পদ না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে এ ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করেন, কিছু ব্যবসায়ী এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতরা এই হামলার সঙ্গে জড়িত। এনসিপির ঢাকা জেলা উত্তরের আহ্বায়ক নাবিলা তাসনিদ মন্তব্য করেন, ‘কামিটি আত্মপ্রকাশের কারণে অনেকের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় তারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা পরিষ্কার জানাতে চাই, এনসিপি কোনোভাবেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে না।’ অন্যদিকে, ধামরাই উপজেলা শাখার নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন যে, গত বৃহস্পতিবার তারা জানতে পারেন, নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন হবে এমন খবর হোয়াটঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে গত বিকেলে ধামরাইয়ে পৌঁছানোর পর তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিন ধরে তারা ঢুলিভিটা বাসস্ট্যান্ডে কার্যালয় চালিয়ে যাওয়ার পরও নতুন কার্যালয় নির্মাণের প্রয়োজন নিয়ে তর্কাতর্কি চলে। ঘটনার দিন বিকেল ৪টার দিকে, আয়োজকদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। ধামরাইয়ের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধনের সময় নারী ও পুরুষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও ঝগড়া শুরু হয়। ধামরাই উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী ইসরাফিল ইসলাম খোকন জানান, ‘প্রথমে কোনো আলোচনা ছাড়াই, হঠাৎ করে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত আসে। এ নিয়ে আমাদের সঙ্গে ঝগড়া পড়ে। ঘটনাস্থলে আমরা গিয়ে দেখতে পাই, কয়েকজন আহত ও পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তিনি আরও বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার ধামরাইয়ের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধনের খবর পেয়ে আমাদের বেশকজন সদস্য হামলার শিকার হন। এতে আমি সহ আরও নয়জন আহত हुए। পুলিশ এরপর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং তদন্ত শুরু করে। ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হুদা খান বলেন, ‘এটা এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ এলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’ সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনাগুলো ভবিষ্যতে সংগঠনের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সকল পক্ষের উদ্দেশ্যে বার্তা প্রকাশ করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে। SHARES রাজনীতি বিষয়: