যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তায় শেয়ারবাজারে বড় দরপতন Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ২:৩৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১০, ২০২৬ ইরানে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর প্রথমদিকে ধীরস্থির হলেও দেশের শেয়ারবাজারে সেই ইতিবাচক প্রবণতা বেশিদিন টেকেনি। একদিনের উচ্ছ্বাসে বড় উত্থানের পরই পরিস্থিতির অস্থিতিশীলতা আবার ফিরে আসায় বাজারে তীব্র দরপতন শুরু হয়। বুধবার (৮ এপ্রিল) যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ঘোষিত হওয়ার সময় বাজার কিছুটা ভালো থাকলেও পরের দিন (৯ এপ্রিল) পরিস্থিতি বদলে যায়। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমতে শুরু করে, যার ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের বড় পতনের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও কমে যায়। এর আগে, যুদ্ধবিরতির খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গে ডিএসইর প্রধান সূচক এক দিনেই ১৬১ পয়েন্ট বেড়ে গিয়েছিল, এবং লেনদেনও প্রায় হাজার কোটি টাকার ঘরে পৌঁছেছিল। তবে, যুদ্ধবিরতির পরে লেবাননে ইসরাইলের হামলার খবর নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করে, যা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমতে থাকে এবং পুরো দিন এই প্রবণতা অব্যাহত থাকে। এর ফলে, দিনের শেষে সব সূচকই বড় পতন দেখায়। সপ্তাহের শেষে ডিএসইতে ৭০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বেড়েছে, তবে বিপরীতে ৩০৬টির দর কমেছে এবং ১৪টির দর অপরিবর্তিত থাকায় সার্বিক পরিস্থিতি নেতিবাচকই থেকে গেছে। ভালো লভ্যাংশ দেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যেও দরপতন লক্ষ্য করা যায়, যা মাঝারি ও দুর্বল কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রেও দেখা গেছে। মোটা দাগে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর কমে গেছে। পাশাপাশি, মিউচুয়াল ফান্ড ও ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোতেও ব্যাপক দরপতন হয়, যা পুরো বাজারে নেতিবাচক চাপ আরও বৃদ্ধি করে। এই দরপতনের ফলে ডিএসইর প্রধান সূচক, ডিএসইএক্স, আগের দিনের তুলনায় ৬০ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৫৭ পয়েন্টে এসে দাঁড়ায়। অন্য সূচকগুলোও baisse-এ যায়; ডিএসই-৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ২ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ১২ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ১ হাজার ৬৩ পয়েন্টে অবস্থান করে। লেনদেনের পরিমাণও কমে এসে ৭৭৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা দাঁড়ায়, যা আগের দিনের চেয়ে উল্লেখযোগ্য কম। লেনদেনে শীর্ষে ছিল খান ব্রাডার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, একমি পেস্টিসাইড ও লাভেলো আইসক্রিম। এছাড়া, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, সিটি ব্যাংক, কেডিএস এক্সসরিজ, মনোস্পুল বাংলাদেশ, সামিট এলায়েন্স পোর্ট, ওরিয়ন ইনফিউশন ও বিডি অটোকারের ট্রেডিং শীর্ষে ছিল। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও একই ধরনের পতনের প্রবণতা দেখা যায়। সিএএসপিআই সূচক ৪৪ পয়েন্ট কমে যায়। সেখানে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর কমে গেছে এবং দিনের লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১০ কোটি ৫৭ লাখ টাকায়। SHARES অর্থনীতি বিষয়: