সাউদাম্পটনের কাছে হেরে আর্সেনালের বিদায়, চেলসির ৭ গোলের বিধ্বংসী জয় Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ১:০১ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৬, ২০২৬ আন্তর্জাতিক বিরতির রেশ কাটতে না কাটতেই বড় ধরণের ধাক্কা খেল আর্সেনাল। কারাবাও কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারের ক্ষত না শুকাতেই এবার এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেও বিদায় নিতে হলো মিকেল আর্তেতার শিষ্যদের। প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থাকা শক্তিশালী দলটিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে দ্বিতীয় সারির চ্যাম্পিয়নশিপ দল সাউদাম্পটন। একই রাতে চেলসি তাদের ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে এক অনন্য গোল উৎসব করেছে। সেন্ট ম্যারিতে অনুষ্ঠিত আর্সেনাল ও সাউদাম্পটনের ম্যাচটি ছিল নাটকীয়তায় ঠাসা। ইনজুরি জর্জর দল নিয়ে ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলেও শুরু থেকেই সেইন্টদের প্রবল চাপের মুখে পড়ে গানাররা। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে আর্সেনাল রক্ষণভাগের অমার্জনীয় ভুলে গোলমুখ খোলেন রস স্টুয়ার্ট। পিছিয়ে পড়ার পর বিরতির আগে আর্সেনাল তেমন সুযোগ তৈরি করতে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে লড়াই শুরু করে। ৬৬ মিনিটে আর্তেতা তিনটি পরিবর্তন আনার পর এর সুফল পায় দলটি। ৬৮ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল ও কাই হ্যাভার্জের প্রচেষ্টায় ভিক্টর গিওকেরেস সমতাসূচক গোলটি করেন। ম্যাচটি যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই সাউদাম্পটনের কোচ টোন্ডা একার্টের তুরুপের তাস হিসেবে মাঠে নামেন শিয়া চার্লস। বদলি নামার মাত্র ৯ মিনিটের মাথায় ৮৫তম মিনিটে ঠান্ডা মাথায় আর্সেনালের জালে বল জড়িয়ে দেন তিনি। শেষ দিকে আর্সেনাল সমতায় ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও সাউদাম্পটনের জমাট রক্ষণ ভাঙা সম্ভব হয়নি। এই হারের ফলে আর্সেনালের ট্রেবল জয়ের স্বপ্ন ভেঙে গেল এবং গত দুটি কাপ ম্যাচ হেরে তারা মানসিকভাবে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে গেল। ১৯৭৬ সালের পর আবারও এফএ কাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে সাউদাম্পটন। অন্যদিকে, লন্ডনের আরেক জায়ান্ট চেলসি তাদের ম্যাচে এক অবিশ্বাস্য তাণ্ডব চালিয়েছে। পুরো ম্যাচে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে তারা প্রতিপক্ষের জালে সাত সাতবার বল পাঠিয়েছে। প্রথমার্ধেই তিন গোল করে জয়ের ভিত গড়ে নেয় ব্লুজরা। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই জোরেল হাতো গোল উৎসবের সূচনা করেন। এরপর ২৫ মিনিটে জোয়াও পেদ্রো ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এবং জর্ডান লরেন্স গ্যাব্রিয়েলের আত্মঘাতী গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চেলসির হাতে চলে আসে। দ্বিতীয়ার্ধেও চেলসির গোল ক্ষুধা কমেনি। ৫৭ মিনিটে টসি আদারাবায়ো চতুর্থ গোলটি করার পর ৬৯ মিনিটে আন্দ্রে সান্তোস জাল কাঁপান। ম্যাচের শেষ দিকে ৮২ মিনিটে তরুণ তুর্কি এস্তেভাও লক্ষ্যভেদ করেন এবং অন্তিম মুহূর্তে আলেজান্দ্রো গারনাচোর শটে চেলসির ৭-০ ব্যবধানের বিশাল জয় নিশ্চিত হয়। চেলসির এই বিধ্বংসী ফর্ম লিগের বাকি দলগুলোর জন্য স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে রাখল। বিপরীতে, আর্সেনাল এখন তাদের সবটুকু মনোযোগ প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জয়ের দিকে নিবন্ধ করতে বাধ্য হবে। SHARES খেলাধুলা বিষয়: