যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল, সেনাপ্রধান ও অ্যাটর্নি জেনারেল অপসারণ

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ১:০৩ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৪, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন ও সামরিক নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ হিসেবে একাধিক

শীর্ষ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর প্রধান

র‌্যান্ডি জর্জ এবং অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি রয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ

সেনাপ্রধানকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেন বলে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের একাধিক সূত্র

জানিয়েছে।

তবে পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘটনাকে ‘অবসর’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এক বিবৃতিতে বলা

হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম আর্মি চিফ অব স্টাফ জেনারেল র‌্যান্ডি জর্জ ‘অবিলম্বে

অবসরে যাচ্ছেন’, যদিও তার মেয়াদের এখনো এক বছরের বেশি সময় বাকি ছিল।

অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে পদ থেকে অপসারণ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড

ট্রাম্প। তার কর্মদক্ষতা নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ এ সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে

বলে জানা গেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি

প্রকাশে বিলম্ব ও সমালোচনার কারণে বন্ডির ওপর অসন্তুষ্ট ছিলেন ট্রাম্প। পাশাপাশি

সমালোচক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ না নেওয়াও তার প্রতি

অসন্তোষ বাড়িয়েছে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টোড ব্যালান্স সাময়িকভাবে বিচার বিভাগ

পরিচালনা করবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বন্ডিকে ‘দেশপ্রেমিক’

ও ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ বলে উল্লেখ করলেও ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

নিজের প্রতিক্রিয়ায় বন্ডি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে আরও নিরাপদ করার লক্ষ্যে কাজ করতে

পারা তার জন্য ‘‘জীবনের বড় সম্মান’’ ছিল।’ তিনি আগামী এক মাসের মধ্যে দায়িত্ব

হস্তান্তর সম্পন্ন করবেন বলেও জানিয়েছেন।

বন্ডির দায়িত্ব পালনকালে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে—এমন অভিযোগও রয়েছে।

বিশেষ করে এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি ব্যবস্থাপনায় গোপনীয়তা ও সমন্বয়হীনতা নিয়ে

সমালোচনা হয়েছে।

এদিকে সেনাবাহিনীর ট্রান্সফরমেশন ও ট্রেনিং কমান্ডের প্রধান ডেভিড হোডনি এবং

চ্যাপলিন কোরের প্রধান উইলিয়াম গ্রিন জুনিয়রকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট

ও স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস এ তথ্য প্রকাশ করেছে, যদিও পেন্টাগন এখনো

আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।