মির্জা ফখরুলের ভাষণে উঠে এসেছে স্বাধীনতার ডালা ও অপশক্তির পুনঃউত্থান

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ২:৩৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩, ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হওয়ার পর আবারো যে অপশক্তি মাথাচাড়া দিচ্ছে, তা আমাদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। তিনি বলেন, যারা এক সময় আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ঘটিয়েছে, পাকিস্তান বাহিনীকে সহযোগিতা করে নানা নিষ্ঠুরতা চালিয়েছে, তারা এখনও ষড়যন্ত্র ছড়িয়ে যাচ্ছে। আমাদের উচিত সাবধান থাকা এবং ঐক্যবদ্ধভাবে সেই অপশক্তিকে পরাজিত করে স্বাধীনতার মূল শক্তিকে এগিয়ে নেওয়া। এভাবেই আমাদের সাফল্য সম্ভব হবে।

গতকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি আরও বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অদম্য ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের সরকারের পরিকল্পনায় আস্থা রাখতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান এসেই দেশের মানুষকে নতুন আশা দিয়ে গেছেন। বলেন, “আমি একটি পরিকল্পনা নিয়ে এসেছি, যাতে দেশকে আরও সুন্দর, উন্নত ও সমৃদ্ধ করে তোলা যাবে।”

মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের জন্য যে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে সম্ভাবনাময় এক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হন। আজ তারই সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান সেই পথের দিশা দেখাচ্ছেন। তিনি জনগণকে আহ্বান জানান, সব অপশক্তিকে পরাজিত করে আমাদের নেতা তারেক রহমানের হাত আরও শক্তিশালী করি। তিনি সতর্ক করে বলেন, অতীতের ভুলগুলো ভুলে গিয়ে আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি সুন্দর ও উন্নত ভবিষ্যৎ নির্মাণ। যেন বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে নিজের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে পারে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ ১৮ বছর নির্যাতন সহ্য করেছি। আমাদের জীবন অনেকটাই ঝেঁপে উঠেছে। এই সময়ের মধ্যে ৬০ লক্ষের বেশি মামলা দায়ের, ২০ হাজার আহত ও হত্যা, তিনজন নেতা ও ১৭শ নেতাকর্মীর গুমের মতো নিত্যনৈমিত্বের মধ্য দিয়ে আমাদের সংগ্রাম চালিয়ে গেছি। ইলিয়াস আলীসহ অনেক নেতা-নেত্রীর খুন ও গুমের ঘটনা আমাদের সাহস কমায়নি। আমরা কখনো দেশের নেত্রীর উদ্দেশ্যে মাথা নত করিনি। লড়াই চালিয়ে গেছি যতই প্রতিকূলতা আসুক। দেশের প্রতিটি অনুমোদিত ও অপ্রয়োজনীয় সংগ্রামের মধ্য দিয়েও আমাদের ইচ্ছা হলি, দেশপ্রেম বা দায়িত্ববোধের কারণে আমাদের মুক্তি ও উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হবে।