দুবাই উপকূলে কুয়েতি তেলবাহী জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলা Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৭:৪৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ৩১, ২০২৬ সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যতম ট্রেড ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাইয়ের সমুদ্রসীমায় বর্তমানে একাধিক জটিল ও উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এই অঞ্চলে একটি কুয়েতি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনা ঘটে যখন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা যখন তুঙ্গে। এই হামলার ফলে পারস্য উপসাগরীয় জলে বড় ধরনের তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। যেখানে এর আগে এই ঘটনায় ঘটনায় প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি, তবে জাহাজটির কাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুয়েত, যা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র, এই ঘটনার দিকে দেখছে রীতিমতো সতর্কতার চোখে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই হামলাটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারির প্রতিক্রিয়া। ট্রাম্প গত রোববার জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে তিনি ইরানের তেল অঞ্চলে অভিযান চালাতে প্রস্তুত। এই হুমকির মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কুয়েতের জাহাজটিকে লক্ষ্য করে হামলা হয়, যা ইরানের শক্তি প্রকাশের একটি প্রমাণ। তবে এই সামরিক উত্তেজনার মূল কারণ হলো চলতি বছর ফেব্রুয়ারির পরে শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্য সংকট। ঐ সময় ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে মার্কিন-তেহরানের মধ্যে দীর্ঘ সংলাপ শেষ হয় ব্যর্থতায়। সংলাপের ব্যর্থতার পরপরই আমেরিকা এবং ইসরায়েল ইরানে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে, যা অনেকের মতে যুদ্ধের পথে এগোচ্ছে। সেই সময়ের প্রথম হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা নিহত হন। এরপর থেকে ইরান পাল্টা নানা রকম আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে—সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ এখন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার। দুবাইয়ের এই কুয়েতি জাহাজে সাম্প্রতিক হামলাও ওই চলমান সংঘাতেরই একটি অংশ। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ও সমুদ্রপথ এখন এক অব্যবস্থাপনা ও অস্থিরতার মধ্যে পড়ে গেছে, যা বিশ্ব অর্থনীতি এবং ভূ-রাজনীতিকে নতুন এক অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: