শহীদ জিয়া খাল কেটে কৃষি উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করেছিলেন: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ১:০২ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২৫, ২০২৬ সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল কেটে কৃষি উন্নয়ন ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করেছিলেন এবং সে ব্যবস্থা এখনো কৃষকদের মনে গেঁথে আছে। সেই খালকাটার সুফলটা এ দেশের কৃষকরা পেয়েছে। দীর্ঘ কয়েক বছর আমাদের এখানে নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-জলাশয় বিভিন্ন ধরনের মানুষ দখল ও পলি পরে তা অকার্যকর অবস্থায় পড়ে আছে। এ জন্য সরকার ইতোমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-জলাশয় পুনঃখননের। কয়েকদিন আগেই বিভিন্ন স্থানে খাল খনন উদ্বোধন করা হয়েছে। আমাদের এলাকায় যেসব খাল বেদখল রয়েছে তা উদ্ধার করে পুনঃখননের ব্যবস্থা করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে এবং বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষকরা যাতে করে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই কৃষিকাজ ভালোভাবে পরিচালনা করতে পারে এবং সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে সব ধরনের সহযোগিতা পায় এ জন্য কৃষি কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য দেশে পাইলটিং প্রোগ্রামে আপাতত দেশের ১০টি জেলায় কৃষি কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়ন একটি। এ ইউনিয়নে আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ কৃষি কার্ড বিতরণ শুভ উদ্বোধন করে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হবে।’ জেলা কৃষি সম্প্রসারণের উপপরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকার নির্বাচনী ইশতেহার হিসেবে দেশের ১০টি জেলার ১০টি উপজেলার, ১০টি ইউনিয়নে, ১০টি কৃষি ব্লকে প্রি-পাইলটিং হিসেবে কৃষক কার্ড প্রবর্তনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এই কর্মসূচি হিসেবে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপচা কৃষি ব্লকে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গত ১১ তারিখে কার্যক্রম শুরু হয়েছে এর মধ্যে আমরা ১,০৩৫ জন কৃষকের জরিপ কাজ সম্পন্ন করেছি। অনলাইনের মাধ্যমে তাদের তথ্য ঢাকায় পাঠিয়ে দিয়েছি। আগামী ১৪ এপ্রিল এই কার্ড উদ্বোধন করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এখানে বড়, মাঝারি, প্রান্তিক, দুর্যোগ ও ভূমিহীন ৫ ধরনের কৃষক রয়েছে। এই কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের সমস্ত প্রণোদনা সহায়তা পাবে।’ এ সময় গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সুলতান নুর ইসলাম মুন্নু মোল্লাসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। SHARES সারা বাংলা বিষয়: