পররাষ্ট্র দপ্তরে দায়িত্বে ভুল বোঝাবুঝি, জামায়াতের উপদেষ্টাকে অব্যাহতি Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৪:৩২ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০২৬ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে গেলো যখন তার অনুমতি না নিয়ে তার দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়। এর ফলে, মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান নামে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বিষয়টি প্রথমে দলটির সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেন। তার পরিবর্তে নতুনভাবে জামায়াতের আমিরের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনাটি ঘটেছে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে, তখন মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান দায়িত্বে ছিলেন উপদেষ্টার। তিনি বিষয়টি জামায়াতের আমিরকে জানিয়েছিলেন, কিন্তু চিঠির বিষয়বস্তু বা প্রেক্ষাপট ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়। পরে তদন্তে দেখা যায়, চিঠির বিষয়বস্তু ও উদ্দেশ্য জামায়াতের আমিরের কাছে সঠিকভাবে উপস্থাপন হয়নি। বিশেষ করে, চিঠিতে ‘মন্ত্রীর পদমর্যাদা’ চাওয়ার অংশটি জামায়াতের অনুমতি ছাড়া করা হয়। এই ভুল বোঝাবুঝি স্পষ্ট হওয়ার পর, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে জামায়াত। অতএব, জামায়াতের পক্ষ থেকে পাঠানো ফোনালাপে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে বিষয়টি পরিষ্কার করে দেয়া হয়। জানানো হয় যে, আমির এই চিঠি বা পদক্ষেপের বিষয়টি জানতেন না। এরপরই, ভূল-বোঝাবুঝির অবসান ঘটে এবং মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে অব্যাহতি দিয়ে, তার পরিবর্তে নতুন উপদেষ্টার দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে। এই ঘটনার পুরো প্রক্রিয়া এবং সমাধানে প্রতীয়মান হয় যে, দলের অভ্যন্তরীণ ভুল বোঝাবুঝি কিভাবে দ্রুত সমাধান করা সম্ভব। SHARES রাজনীতি বিষয়: