ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় প্রতিনিধিদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন শনিবার Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ১২:০৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০২৬ দেশের ধর্মীয় সেবকদের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহায়তা প্রদান করতে সরকার নতুন এক সম্মানী কার্যক্রম শুরু করছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সাধারণ সেবকদের আর্থিক সাহায্য নিশ্চিত করা হবে, যা তাদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এই ইতিবাচক পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের প্রকাশিত বার্তায় জানানো হয়, এই সম্মানী কার্যক্রম দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের ধর্মীয় সেবকদের জন্য নতুন এক দিক উজ্জ্বল করে তুলেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুধু ইমাম ও মুয়াজ্জিন নয়, দেশের বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধি, যেমন মসজিদের খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত ও সেবায়েত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ—এসব সবাইকে এই সম্মানী কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে। একই দিনে এই বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের জন্য আলাদা আলাদা প্রকল্পের মাধ্যমে সম্মানী বিতরণের সূচনা করা হবে। সরকারের এই পদক্ষেপটি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ঐক্যকে আরও দৃঢ় করবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ও তাদের সেবকদের জীবন মান উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে। ধর্মীয় প্রতিনিধিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা গেছে। তারা বলছেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সম্মানী চালু হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাজারও ধর্মীয় সেবক সরাসরি উপকৃত হবেন। মন্ত্রণালয় জানায়, এই সম্মানী বিতরণের পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হবে, যাতে কোন ধরণের দুর্নীতি বা হেরফের না হয়। একদিকে সরকারের এই উদ্যোগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের একতা ও মানবিক মূল্যবোধের উন্নয়নে সহায়ক হবে, অন্যদিকে এর মাধ্যমে সাধারণ সেবকদের জীবনমান উন্নয়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি সরকারের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সম্প্রদায়ের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। SHARES জাতীয় বিষয়: