পোশাক শিল্পের সংকট মোকাবিলায় মাসিক নগদ সহায়তার ঘোষণা Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৮:৩২ অপরাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০২৬ বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত—the তৈরি পোশাক শিল্প—বর্তমানে এক গ hätten পরিস্থিতির সম্মুখীন। সেই সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ও সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। এখন থেকে রপ্তানিকারকদের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হলো; কোন আবেদনই আর পেন্ডিং থাকবে না। বরং, তারল্য সংকট নিরসনে প্রতিটি মাসে রপ্তানির পরিমাণ অনুযায়ী অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট মাসেই ছাড়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার, ১১ মার্চ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের নেতৃত্বে ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিজিএমইএ এর একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় তারা পোশাক শিল্পের চলমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি হস্তক্ষেপের জন্য দাবি জানায়। পাশাপাশি, বেশ কিছু স্পষ্ট ও কর্মক্ষম সুপারিশ পেশ করে। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ নানা সীমাবদ্ধতার কারণে দেশের পোশাক শিল্প বর্তমানে গোপনীয় চাপে। ব্যাংকগুলো ঋণের পুনঃতফসিল কালে ভীষণভাবে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সরবরাহ কম করছে, যার কারণে কারখানা চালু রাখা ও ঋণ পরিশোধে সমস্যা দেখা দিয়েছে। সংকটকালীন পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তার জন্য বিজিএমইএ নগদ অর্থের হার বাড়ানোর এবং অটুট রাখার দাবি জানায়। তারা প্রস্তাব করেন, বর্তমান সহায়তার হার শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে ১ শতাংশে উন্নীত করতে, শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে নগদ অর্থ সহায়তার হার এক দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২ শতাংশে বাড়াতে। এছাড়া, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য এই হার ৩ শতাংশ থেকে ৪ শতাংশে উন্নীত করারও আহ্বান জানানো হয়। তাদের মতে, প্রণোদনামূলক অর্থ দ্রুত ও নিয়মিত ছাড় না করলে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে, যা শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এরপর শিল্পের জন্য প্যাকিং ক্রেডিটের সুদ ৭ শতাংশে নামানোর, প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিটের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি টাকা থেকে ১০ হাজার কোটি কোটি টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর ও মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেন। পাশাপাশি, রপ্তানি ঋণের সুদ হার সিঙ্গেল ডিজিটে আনার কথা বলা হয় এবং ছোট ও মাঝারি শিল্পের জন্য সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের সুযোগ চাওয়া হয়। প্রতিনিধিদলের প্রস্তাব ও দারুন সংকটের ব্যাপারে শুনে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান আশ্বাস দেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়গুলো দ্রুত ও কার্যকরীভাবে সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি জানান, এখন থেকে কোনো আবেদনই পেন্ডিং থাকবে না। রপ্তানিকারকদের জন্য নির্ধারিত তারল্য সহায়তার অর্থ সংশ্লিষ্ট মাসেই ছাড়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সেদিনের আলোচনা সভায় সংগঠনের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকগুলোতে জমাকৃত স্থায়ী আমানত ও রপ্তানি মূল্যের অর্থ নগদে পরিণত করতে পারছেন না বলে জানান। এ কারণে বেশ কিছু কারখানা শ্রমিকদের বেতন-বেড়ি ও বিদ্যুৎ বিলের টাকা জোগাড়ে হিমশিম খাচ্ছে। গভর্নর এই সংকট সমাধানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বিশেষ পর্যবেক্ষণের আশ্বাস দেন। প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবিলম্বে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলো পোশাক শিল্পের জন্য সমর্থন কর্মসূচি হিসেবে কাজ করবে, যাতে এই শিল্প বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আবার পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং কর্মসংস্থান বজায় থাকে। SHARES জাতীয় বিষয়: