‘খুব শিগগির’ কিউবার পতন ঘটবে: ট্রাম্প Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৫:৩০ অপরাহ্ণ, মার্চ ৭, ২০২৬ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস দিয়ে বলেছেন যে, খুব শিগগিরই কিউবার বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটতে যাচ্ছে। শুক্রবার সকালে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর উপস্থাপক ডানা ব্যাশকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। নিজের দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরার একপর্যায়ে ট্রাম্প কিউবা প্রসঙ্গটি সামনে আনেন। তিনি দাবি করেন, কিউবা বর্তমানে এক চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য কার্যত মরিয়া হয়ে উঠেছে। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, কিউবার বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে বিশেষ দায়িত্ব দিতে যাচ্ছেন। রুবিও নিজেও কিউবান বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক হওয়ায় এই ইস্যুটি তাঁর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্প বলেন, ‘তারা একটি চুক্তি করতে চায়, তাই আমি মার্কোকে সেখানকার দায়িত্ব দেব। তারপর দেখব শেষ পর্যন্ত কী ঘটে।’ তবে বর্তমানে তাঁর প্রশাসনের মূল মনোযোগ ও অগ্রাধিকারের জায়গা যে ইরান, সেটিও তিনি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক বক্তব্যেও ট্রাম্প কিউবা নিয়ে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার আভাস দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবান বংশোদ্ভূত নাগরিকদের নিজ জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়াটা এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর প্রশংসা করে ট্রাম্প তখন জানান, রুবিও বর্তমানে ইরানের ইস্যুটি শেষ করার জন্য অপেক্ষা করছেন। ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার অবসান ঘটলেই ট্রাম্প প্রশাসন পূর্ণশক্তি নিয়ে কিউবার রাজনৈতিক পরিবর্তনের দিকে নজর দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সময়ে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ বা সংঘাতে না জড়ানোর কৌশলগত ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, চাইলে অনেক কিছু একসাথেই শুরু করা যেত, কিন্তু তাড়াহুড়ো করলে হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ধাপে ধাপে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো কিউবার ক্ষমতাসীন সরকারের জন্য এক বড় ধরনের কূটনৈতিক চাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত মিটলেই লাতিন আমেরিকার এই দ্বীপরাষ্ট্রটি ওয়াশিংটনের পরবর্তী প্রধান লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: