বাংলাদেশের নিন্দা জানাল ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখলে পদক্ষেপ Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৮:৩১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড সংযুক্তির উদ্দেশ্যে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক ভূমি-সংক্রান্ত আইনকে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। সৌদি আরবের জেদ্দায় আন্তর্জাতিক ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের উন্মুক্ত বৈঠকে বাংলাদেশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এ অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সংযুক্তির জন্য ইসরায়েলের এ আইন গ্রহণযোগ্য নয় এবং এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। ড. খলিলুর রহমান আরও বলেন, ১৯৬৭ সালের সীমান্ত ভিত্তিক অবস্থা অনুসারে পূর্ব জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা অব্যাহত সংকটের একমাত্র স্থায়ী সমাধান। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, নতুন এই আইন ফিলিস্তিনি ভূমির প্রকৃতি বদলে দেওয়ার চেষ্টা, যার মধ্যে আল-কুদস আল-শরিফও রয়েছে। তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে ভূমি ক্রয় ও নিবন্ধন সহজ করার ফলে ফিলিস্তিনি মালিকেরাও ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এসব পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায্যতার বিরুদ্ধে এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পথকে দুর্বল করছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, দুই-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন গঠনের পরিকল্পনা সংকটের স্থায়ী সমাধান। তিনি ইসরায়েলের ভূমি আইন প্রত্যাখ্যান করে, ফিলিস্তিনিদের ভিজাসহ তাদের ভূমি অধিকার সুরক্ষার জন্য জোর আহ্বান জানান। এছাড়াও, তিনি গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, আন্তর্জাতিক মানবিক উপকরণের অবাধ প্রবেশ ও শর্তহীন সহায়তা পৌঁছানোর দাবি করেন। তিনি বলেন, এভাবেই অপ্রত্যাশিত সংকটের সমাধান হবে। বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মুসলিম উম্মাহকে রমজানের শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তিনি নবনির্বাচিত সরকার ও ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি চীন, পাকিস্তান, গাম্বিয়া, ফিলিস্তিন, তুরস্ক ও সৌদি আরবের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। তারা বাংলাদেশের নির্বাচনের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে, নতুন সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা কামনা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বৈঠকগুলোতে দেশের পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক—বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা সংকট, ওআইসি সচিবালয়ের কার্যকারিতা ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব– তুলে ধরেন। এ সময় বাংলাদেশের প্রার্থিতা বিষয়ে উপস্থিত দেশগুলো সমর্থন জানায়। এছাড়াও, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রসচিব ও ওআইসি প্রতিনিধিরা এই বৈঠকগুলোর পাশাপাশিও বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও বৈঠক করেন। SHARES জাতীয় বিষয়: