শেয়ারবাজারে ফিরছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৩৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ গত দুই বছর ধরে অব্যাহত নিম্নমুখী প্রবণতার পর চলতি বছরের শুরুর দিকে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ আবারো বৃদ্ধি পাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিক্রেতাদের চাপের মধ্যে থাকলেও এখন তারা ক্রমশ সক্রিয় হয়ে শেয়ার কিনতে মনোযোগী হচ্ছেন, যা বাজারে নতুন করে আশাবাদ জাগিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মোট ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছেন, যেখানে তারা বিক্রি করেছেন ১৭৯ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার। এর ফলশ্রুতিতে মাস শেষে নিট বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ে প্রায় ১৮ কোটি টাকা। ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৫ দিনে বিদেশিদের লেনদেন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে তাদের মোট লেনদেন ছিল ১১৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে লেনদেনের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে এবং তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব হবে। তারা মনে করেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় উপস্থিতি স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়ায়, যা সামগ্রিক বাজারের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অন্যদিকে, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে বিদেশি হিসাবধারীর বেনিফিশিয়ারি ওনার্স বা বিও অ্যাকাউন্ট ছিল ৪৩ হাজার ৫৪৯টি। তবে ফেব্রুয়ারির ১৫ দিনের মধ্যে তা কমে দাঁড়ায় ৪৩ হাজার ১০১টিতে, অর্থাৎ ৪৪৮টি বিও অ্যাকাউন্টের পতন হয়েছে। যদিও হিসাবের সংখ্যা কমলেও বিনিয়োগের অঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিএসই এর তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে বিদেশিরা মোট ২ হাজার ৯৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেন, যেখানে তারা কিনেছেন ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার শেয়ার। বছর শেষে তাদের নিট বিনিয়োগের পরিমাণ কমে ২৭০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। অন্যদিকে, ২০২৪ সালে নিট বিনিয়োগ কমেছিল ২৬১ কোটি টাকায়। তবে ২০২৩ সালে তারা ৬৪ কোটি টাকার ইতিবাচক নিট বিনিয়োগ করেছিলেন। গত আট বছর ধরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সময়ই বিদেশি বিনিয়োগ নেগেটিভ অবস্থানে ছিল। বিগত ২০২৫ সালের ১২ মাসের মধ্যে মে থেকে আগস্টের মধ্যে বিদেশিরা উল্লেখযোগ্য হারে শেয়ার কিনেছেন, যার ফলস্বরূপ ডিএসইএক্স সূচক উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। তবে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে তারা বিক্রি করে বিনিয়োগ তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখিয়েছে। SHARES অর্থনীতি বিষয়: