ডরিন পাওয়ারের নরসিংদী বিদ্যুৎকেন্দ্র বিক্রি করছে কেপিআই ট্রেডিং Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৫:১৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড এই মুহূর্তে নরসিংদীর ২২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব স্থায়ী সম্পদ ও নন-কারেন্ট সম্পদ বিক্রি করছে। এ বিষয়ে কোম্পানির পর্ষদ কেপিআই ট্রেডিংয়ের সঙ্গে একটি ভেন্ডরস চুক্তি অনুমোদন করেছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তারা কেন্দ্রের জেনারেটর, ট্রান্সফরমার, রেডিয়েটর ও ভেন্টিলেশন ইউনিট, ইঞ্জিন হল, বিভিন্ন ভবনের অবকাঠামো, বৈদ্যুতিক কেবল, সুইচগিয়ার, প্যানেল, ব্যাটারি, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক সামগ্রী বিক্রি করবে। এই সম্পদগুলোর মোট বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা। প্রথমে, গত বছর ৮ ডিসেম্বর, কোম্পানিটি নরসিংদীর এই কেন্দ্রের সব স্থায়ী সম্পদ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ১১ ডিসেম্বর দুটি জাতীয় দৈনিকে দরপত্র আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, প্রাপ্ত প্রস্তাব মূল্যায়নের মাধ্যমে কেপিআই ট্রেডিংকে সফল দরদাতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়। অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি অর্থবছর, অর্থাৎ ২০২৫-২৬ সালের প্রথম ছয়মাসে জুলাই থেকে ডিসেম্বরে, কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৫ পয়সা, যা前年ের একই সময় ছিল ২ টাকা ১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৫ টাকা ১৫ পয়সা। পেছনে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। ওই বছরে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ১৯ পয়সা, যা আগের বছরে ছিল ১ টাকা ৮১ পয়সা। একই সময়ে এনএভিপিএস ছিল ৫২ টাকা ৪৩ পয়সা। অতীতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। তখন ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮১ পয়সা, কিন্তু前年 ছিল ৩ টাকা ৫৬ পয়সা। ওই বছর এনএভিপিএস ছিল ৪৯ টাকা ৫৭ পয়সা। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরে, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হয়, যেখানে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৫৬ পয়সা, প্রথমে ছিল ৯ টাকা ২১ পয়সা। সেই বছর এনএভিপিএস ছিল ৫০ টাকা ৪৭ পয়সা। কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী ঋণমান ‘এএএ’ এবং স্বল্পমেয়াদী ঋণমান ‘এসটি-১’ ডিগ্রিতে রয়েছে। ৩০ জুন ২০২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এই রেটিং নিশ্চিত করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি। ডরিন পাওয়ারের যাত্রা শুরু ২০০৮ সালে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে। ২০১০ সালে তাদের ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নর্থনার এবং সাউদার্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। ২০১৬ সালে কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে, অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১৮১ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভ রয়েছে ৭৩২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ১১ লাখ ১৮ হাজার ৯০১। এর মধ্যে, ৬৬.৬১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের এবং ১৮.৬০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে, বাকি ১৪.৭৯ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। SHARES অর্থনীতি বিষয়: