যুক্তরাষ্ট্রের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে শুল্ক বহাল, প্রক্রিয়া সহজ করার পরিকল্পনা Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৩৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর বর্তমান শুল্ক ব্যবস্থা এখনও বহাল থাকছে, তবে দেশের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শুল্কের হার অপরিবর্তিত থাকলেও, আমদানিকারক সংস্থাগুলোর দাপ্তরিক চিত্র আরও সহজ করতে সপ্তাহে কিছু পরিবর্তনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে করে তারা কম সময়ে ও কম জটিলতার মধ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবে। জেমিসন গ্রিয়ার তাঁর বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে বিদ্যমান শুল্ক সংক্রান্ত জটিল নিয়মাবলি অনুসরণের জন্য অনেক প্রতিষ্ঠানকে বাড়তি জনবল নিয়োগ করতে হচ্ছে এবং সময়ের বড় অংশ ব্যয় হচ্ছে। মার্কিন সরকার চাই না যে, ব্যবসায়ীরা শুধু দাপ্তরিক কাজের পেছনে এত বেশি সময় ও শ্রম ব্যয় করে সেটি তাদের মূল ব্যবসা বা উৎপাদন কার্যক্রমে বাধা হয়ে দাঁড়াক। এজন্য শুল্ক প্রয়োগের পদ্ধতিকে আরও স্বচ্ছ, সহজ ও গতিশীল করে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এর ফলে ব্যবসায়ীরা আরও স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি এই শুল্ক নীতিকে মোটামুটি সফল বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলছেন, এই কঠোর পদক্ষেপের কারণে মার্কিন অভ্যন্তরীণ শিল্পে নতুন করে উজ্জীবন এসেছে এবং শিল্পখাতের অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে। গ্রিয়ার আরও জানান, এই শুল্ক আরোপের ফলে অন্যান্য দেশগুলো তাদের শুল্ক বাধা ও অপ্রয়োজনীয় বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা কমাতে বাধ্য হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন রপ্তানি ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দেশের অভ্যন্তরে মূল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এই সফলতার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দিয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছর চীনের অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা Myanmar ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন মূলত এই লক্ষ্যেই বিদেশী ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন। পরে এই ধাতুগুলো দিয়ে তৈরি বিভিন্ন চূড়ান্ত পণ্যের উপরও শুল্কের হার বাড়ানো হয়। এর ফলে আমদানিকারকরা এই কাঁচামালের উৎস ও অনুপাত নির্ণয় করা ও শুল্ক হিসাব করতে ব্যাপক জটিলতা ও ব্যয়বহুল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। এখন মার্কিন সরকার মূলত এই জটিলতা কমিয়ে একটি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই নতুন পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পরিবর্তন কার্যকর হলে মার্কিন উৎপাদনশীল খাতে আমদানির গতি ও দক্ষতা আরও বাড়বে। SHARES অর্থনীতি বিষয়: