কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি বিএমইউ’র শ্রদ্ধা নিবেদন

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

২১শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের अवसरে় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে অমর ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি। শনিবার দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধাজ্ঞলি নিবেদন করা হয়। একইসাথে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিল। পুষ্পস্তবক অর্পণের পরে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করা হয়।

শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করার পাশাপাশি সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়, যা এই দিবসের তাৎপর্য আরও বাড়িয়ে তোলে। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শীর্ষ কর্তৃপক্ষ, যেমন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, ডেন্টাল অনুষদের ডিন ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ, এবং অন্যান্য শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এ মহান উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও চিকিৎসা সেবা বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে রয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান, বিএমইউ ড্যাবের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, অর্থ ও হিসাব পরিচালক খন্দকার শফিকুল হাসান রতন এবং সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. মো. শাহিদুল হাসান বাবুল। এসব নেতৃবৃন্দ একুশের চেতনাকে ধারণ করে চিকিৎসা শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তদ্ব্যতীত, বিএমইউ প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মোহাম্মদ আবু নাছের, উপ-রেজিস্ট্রার (আইন) ডা. আবু হেনা হেলাল উদ্দিন আহমেদ, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক লুৎফর রহমান ও মো. হুমায়ুণ কবীর, পাশাপাশি অন্য কর্মকর্তাগণ। অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয় তাঁদের আন্তরিক অংশগ্রহণে, যেখানে ভাষা আন্দোলনের অদম্য স্পৃহা যেন ভবিষ্যতেও দেশটির স্বাস্থ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সবাই।