কুমিল্লার তিন মন্ত্রীর পেয়ে আধুনিক সম্ভাবনার নতুন সূচনা Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৮:৩৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ কুমিল্লায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নতুন করে গঠিত সরকারকে সংবর্ধনা দিয়ে এলাকাপ্রিয় মানুষজন ব্যাপক উচ্ছ্বসিত। এই নির্বাচনে কুমিল্লার তিন জন নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন, যা তাঁদের এলাকাবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। বিএনপি নেতারা এই উপলক্ষ্যে ব্যাপক আনন্দ এবং উৎসবের মনোভাব প্রকাশ করেছেন। পরপর দুবারের মতো নির্বাচিত হয়ে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে চলা এই তিন নেতা হলেন, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, বরুড়ার এমপি জাকারিয়া তাহের সুমন, এবং কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তাঁদের দায়িত্বে আসার খবর জেলাজুড়ে আনন্দের ঝড় তোলে, এলাকার মানুষজন মিষ্টি বিতরণ করে এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইনের গল্পটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। তার জন্ম ১৯৪৫ সালে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায়। ১৯৮৬ সালে প্রথমবারের মতো সংসদে নির্বাচিত হওয়া এই নেতা ১৯৮৮ সালে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। দীর্ঘদিন বিদেশে থাকলেও, ৫ আগস্ট দেশের ফিরেই তিনি আবার সংসদে নির্বাচিত হন। তাঁর বিপুল ভোটে জয় লাভের মধ্য দিয়ে জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটে। তিনি গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডিত হলেও, শেষ পর্যন্ত তিনি আবার দেশের রাজনীতিতে ফিরে আসেন। বরুড়ার এমপি জাকারিয়া তাহের সুমন ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ বরুড়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৪ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। তার নির্বাচনী ব্যবধানে তিনি ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট পেয়ে জয়ী হন। দীর্ঘ ৭৮ বছর পর এই প্রথম বরুড়ার মানুষ জানলো, তাদের উপজেলায় একজন মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে পেরেছেন। অন্যদিকে, কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন দলের চেয়ারম্যানের অনুরোধে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে দা’োয় অবতীর্ণ হলেও, পরে দলীয় ধাবার জন্য মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিঃসন্দেহে দলের স্বার্থে নিজেকে উৎসর্গ করেন। তিনি ১৯৯৬ সালে কুমিল্লা-৯ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালে বিএনপির উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে মনোনীত হন। এর মাধ্যমে তিনি দলীয় নেতৃত্বের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে অবিচ্ছেদ্য হয়ে উঠেছেন। নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে এই নিয়োগের মাধ্যমে দ্রুত উন্নতি ও অগ্রযাত্রার আশা জেগেছে। তারা মনে করছেন, এই তিনজন মন্ত্রীর উপস্থিতি ও দায়িত্ব গ্রহণ কুমিল্লার উন্নয়নে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। জেলায় এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে, এবং ভবিষ্যতের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এলাকায় নতুন সম্ভাবনার দৃষ্টি ফিরে এসেছে। SHARES রাজনীতি বিষয়: