গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও নির্বাচনী সাফল্যে তিন শীর্ষ নেতাকে প্রধান উপদেষ্টা থেকে অভিনন্দন বার্তা

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৩:৩১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য দায়ী ক্ষমতাসীন ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের দায়িত্বশীল ভূমিকা ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এ জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে আলাদা আলাদা TELিফোনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এই তিন নেতার সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধান উপদেষ্টা তাদের সফলতা ও দায়িত্ববোধের জন্য আপনাদের প্রশংসা করেন এবং তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় তিনি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংযম, পরিমিতিবোধ ও দায়িত্বশীলতা বজায় থাকায় সারাদেশে সুন্দর একটি নির্বাচন পরিবেশ গড়ে ওঠার ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রেস উইং জানায়, আলাপের শুরুতেই তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দলের বিপুল বিজয়ের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে পাঠানো এক বার্তায় বলেন, “গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারায় চলমানতা ও স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।“ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য পৃথক বার্তায় অধ্যাপক ইউনূস তার দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলের কার্যক্রম, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ফলাফলকে শান্তিপূর্ণভাবে গ্রহণে আপনার ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয়।“ অন্যদিকে, সাম্প্রতিক নির্বাচনে অংশ নেওয়া নবগঠিত দল এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “তত্ত্বাবধানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে এনসিপি সাহস, দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে রেকর্ড হবে।” মাত্র এক বছর আগে ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে জন্ম নেওয়া এ নবীন দলটি ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ছয়টিতে জয় লাভ করে এবং অন্যান্য আসনে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টি করে তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। প্রধান উপদেষ্টা ভবিষ্যতেও আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে রাজনৈতিক দলগুলো এ ধরনের ইতিবাচক ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। তিনি সকল রাজনৈতিক দলের সুসংহত অংশগ্রহণে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।