নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ২০০ Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৪৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় কোয়ারা এবং উত্তরাঞ্চলীয় কাতসিনা রাজ্যের প্রান্তিক গ্রামগুলোতে পৃথক বন্দুকধারীদের হামলায় প্রায় ২০০ জন নিহত হয়েছেন। এই হত্যাযজ্ঞটি মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) শুরু হয় এবং এর মধ্যে নারী ও শিশু সহ বহু সাধারণ নাগরিকের জীবন হারিয়েছে। স্থানীয় সরকার, আইনপ্রণেতা, বাসিন্দা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স নিশ্চিত করেছে এই খবর। খবরের সূত্রে জানা গেছে, এই হামলায় নিহতের সংখ্যা কোথাও কোথাও ১৭০’র বেশি। কোয়ারা রাজ্যের ওরো ও নুকু গ্রামে এই মারাত্মক আক্রমণ হয়। স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদু বাবা আহমেদ বলেন, বন্দুকধারীরা গ্রামবাসীদের ঘেরাও করে হাত পেছনে বেঁধে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এরপর তারা গ্রামবাসীর বাড়ি ও দোকানে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং গবাদি পশু লুট করে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হামলাকারীরা মূলত উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য, যারা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনতার উপর নির্যাতন চালিয়ে আসছে। গ্রামবাসী যদি শরিয়া আইনের প্রতি বন্দোবস্ত নেয় বা নাইজেরীয় সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে তাদের উপর গুলি চালানো হয়। অন্যদিকে, উত্তরাঞ্চলীয় কাতসিনা রাজ্যেও একই ধরনের হামলা চালিয়ে অন্তত ২১ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে সশস্ত্র চক্র। এই হত্যাকা-ের ফলে দীর্ঘ দিন ধরে চলা শান্তির চুক্তিও ভেঙে পড়েছে। নাইজেরিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে সাধারণ মানুষ সশস্ত্র গ্রুপগুলোর সাথে চাঁদা, খাবার দিয়ে শান্ত থাকার চেষ্টা করেন, কিন্তু এখন সেই ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়ছে। আন্তর্জাতিক মহল যেনই এর দায়ে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে। বিশেষ করে, গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাইজেরীয় সরকারের নিরাপত্তার ব্যর্থতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। এরপর ২৫ ডিসেম্বর মার্কিন সেনারা নাইজেরিয়া উপকূলে বিমান হামলা চালায়। বর্তমানে নাইজেরীয় সরকার ওয়াশিংটনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে বললেও, সাম্প্রতিক এই গণহত্যাকাণ্ড দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির খুবই দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ দিকগুলো স্পষ্ট করে তুলেছে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: