প্রবাসীর হেলিকপ্টারে সৌদি কফিলকে নিয়ে গ্রামে ফিরলেন

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৩:৪০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬

সৌদি আরবের একজন প্রবাসী তার সৌদি কফিলকে সঙ্গে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে নিজ গ্রামে ফিরেছেন। এই দৃশ্যটি দেখতে এলাকার মানুষের মাঝে উৎসাহ ও উত্তেজনার create হয়েছে। নকল শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রাজ নগর গ্রামের নিজ বাড়িতে হেলিকপ্টার নামার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সৌদি থেকে আসা নাগরিকের নাম মিশাল আমি য়ামী, যিনি রিয়াদ শহরে একজন ব্যবসায়ী মালিকের অধীনে কাজ করতেন। প্রবাসী মাকসুদ আখঞ্জি অর্থাৎ শাহ আলম আখঞ্জির ছেলে, গত পাঁচ বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। তিনি রিয়াদ থেকে বাংলাদেশে ফেরার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

প্রবাসী মাকসুদ আখঞ্জি জানান, কয়েক বছর ধরে তিনি নানা ব্যবসা কাজে সৌদি থাকলেও সেখানে তার সৌদি কফিলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় ছিল। গত শুক্রবার ভোরে তিনি রিয়াদের হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের জন্য উড়াল দেন। এরপর দুপুরে, হেলিকপ্টার ভাড়া করে তিনি গ্রামে ফিরে আসেন।

এদিকে, এই খবর শুনে সকাল থেকেই এলাকার মানুষ তার বাড়ির পাশে জমায়েত হয়। প্রবাসী ছেলে ও তার কফিলের আগমনে এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যাপক উৎসাহ ও উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তার জন্য উপজেলা থানা পুলিশের একটি টিম দায়িত্ব পালন করে। হেলিকপ্টার নামার সাথে সাথে ক্ষণজন্মা এই মুহূর্তের ছবি তোলার জন্য এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। প্রবাসীর বাবা শাহ আলমসহ স্থানীয়রা শুভেচ্ছা জানান এবং ফুলেল শুভেচ্ছা পাঠান।

স্থানীয় সমাজসেবক মশিউর রহমান বলেন, দেশের বাইরে থেকেও প্রবাসীরা যেন তাদের কফিলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন, যাতে দেশের সম্মান অটুট থাকে।

এদিকে, কফিল মিশাল আমি য়ামী বলেন, ‘মাকসুদ খুব ভালো ছেলে। আমি তাকে পছন্দ করি। তার দেখাশোনা আমার দায়িত্ব। আমি আরও বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করি। আজ এখানে এসে খুব খুশি।’ তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ তার পছন্দের দেশ, এবং বাংলাদেশের জন্য তার ভালোবাসা অগাধ।

প্রবাসী মাকসুদ আখঞ্জি বলেন, তার কফিল একজন ভ্রমণপ্রিয় মানুষ। তিনি প্রায়ই বলতেন, ‘আমি তোমার দেশে ফিরে যাব।’ এই কারণেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তাকে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে গ্রামের উদ্দেশে রওনা হতে। তিনি এক সপ্তাহ বাংলাদেশে থাকবেন, তারপর আবার সৌদিতে ফিরে যাবেন।

এই এক সপ্তাহের মধ্যে পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সাথে সময় কাঁটাতে পেরে তিনি খুব খুশি। তার গ্রামের বাড়ি থেকে আবারও প্রবাসে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এই ঘটনার কারণে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে, এবং এটি সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।